আব্দুল কাদের, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীর আবাদপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহনে বন্ধ হতে পারে মাদকের অভায়াশ্রম। উপজেলার সন্নিকটে বদলগাছী সদর ইউনিয়নের সিমান্তবর্তী একটি গ্রাম আবাদপুর। এই গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার পানি নিস্কাশনের ক্যানেল যাহা আবাদপুর বিল হিসাবে পরিচিত। বিলের উত্তর পাশে মহাদেবপুর উপজেলার সিমান্তবর্তী রাইগাঁ ইউপির কালনা গ্রাম। আবাদপুর গ্রামের অনেক বড় একটা অংশ ছিল অনাবাদি ও পতিত। বাঁশের ঝোপঝার ও জঙ্গলাপূর্ণ পড়ে থাকা জায়গা জমিগুলো বিকেল হলেই নির্জন এলাকা হয়ে পড়ে। এছাড়া সাড়ে তিনশ বিঘার বেশি অংশ জুড়ে রয়েছে বিল। এই বিলের উপর আবাদপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ঘর নির্মান হচ্ছে। ২০১৩ সালে বিলের দুপাশের সংযোগ স্থাপনের জন্য বিলের উপর সেতু নির্মাণ করা হয়। তখন থেকেই দৈনন্দিন চাহিদা পুরুনে দুপাশের লোক জন আবাদপুরে সোমবার দিনে সাপ্তাহিক হাট বসায়। আবার সন্ধ্যা লগ্নে হাট ভেঙ্গে যায়। খুবই ছোট পরিসরে হলেও হাটের দিন এখানে কাঁচা তরি তরকারি, বিলের টাটকা দেশি প্রজাতির মাছ, হাঁস-মুরগী, কবুতরসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী কেনাবেচা হয়। পাশর্^বর্তী মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের কালনা, নাউরাইল, সিলিমপুর, কাদিয়াল, বামনকুড়ি এবং বদলগাছীর ভাতশাইল ও চাকরাইল আবাদপুর গ্রামের অধিবাসীরা এখানে কেনাকাটা করে। কিন্তু অন্য দিনগুলোতে নির্জনতায় এখানে মাদকসেবীদের আড্ডা জমে উঠে দিন কিংবা রাতে। অধিক নির্জন হওয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে এখানে ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে বলে এলাকাবাসী জানায়।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশাপাশি এখানে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ায় স্থায়ী ভাবে দোকানপাট গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনেকেই। লাউরাইল গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন বাচ্চু জানায় তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে নাপিতের কাজ করত। আশ্রয়ণ প্রকল্প নেওয়ায় তিনি বাঁশ-কাঠ দিয়ে স্থায়ী বেড়ার ঘর নির্মাণ করছে। সে আর ঘুরে নয় এখানে বসে নাপিতের কাজ করবে। আবাদপুর গ্রামের শ্রী লিটন চন্দ্র ম-ল জানায় তার মুদির দোকানসহ এখানে স্থায়ীভাবে চায়ের স্টল বসবে। আবাদপুর গ্রামের মৃগেন্দ্রনাথ, ভাতসাইল গ্রামের উৎপল চন্দ্র জানায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের কারনে সেখানে লোক সমাগম বাড়বে এবং মাদকসহ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড রোধ হবে।
বদলগাছী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের কারনে বিদ্যুৎ সংযোগসহ সেখানে রাস্তা নির্মান হচ্ছে, জনসমাগম বাড়বে। হাটটি সম্প্রসারিত হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলপনা ইয়াসমিন বলেন, আবাদপুরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করেই আমরা এখানে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে বিভিন্ন ধরণের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







