মনরি হোসনে ,বরশিাল ব্যুরো: টানা তনি দনিরে ছুটতিে ঈদরে কনোকাটা সরেে ফলেছনে বরশিালরে মানুষ। যে কারণে পহলো বশৈাখ থকেে নগররে ঈদবাজার জমজমাট হয়ে উঠছে।ে তীব্র গরম উপক্ষো করে গতকাল শুক্রবারও ক্রতোর ভড়ি ছলি চোখে পড়ার মতো।
অবশ্য করোনার সংকট কাটয়িে না ওঠা অনকে পরবিার বাজারে গয়িে বাজটেরে সঙ্গে তাল মলোতে হমিশমি খাচ্ছ।ে কনেনা নানা প্রলোভনে পোশাকরে দাম উঠছে আকাশচুম্বী। টানা দুই বছর পর ব্যবসায়ীরা এবার লাভরে মুখ দখোর আশায় থাকলওে পণ্যরে মান ও গলাকাটা দাম নয়িে হতাশ ক্রতোরা।
ঈদ মৌসুম ধরতে নগররে র্গীজা মহল্লায় জমকালো ডকেরশেনে গড়ে ওঠা নতুন পোশাকরে দোকান একটি দোকানে শুক্রবার জুমার নামাজরে পরপরই দখো গলে এক আর্শ্চয চত্রি। এক বক্রিয়র্কমী পাঞ্জাবি কনিতে আসা এক ব্যক্তকিে ধমকাচ্ছনে।
অনকেটা অপদস্থ হয়ে ওই ব্যক্তি তড়ঘিড়ি করে বরে হয়ে যান। খোঁজ নয়িে জানা গলে, ওই ক্রতো কয়কেটি পাঞ্জাবি দখেে না কনোয় ক্ষুব্ধ হয়ছেনে বক্রিতো। বরশিাল নগররে ঈদবাজারে এমন অপ্রীতকির ঘটনা এখন অহরহ।
ক্রতোদরে সঙ্গে কথা বলে জানা গছে,ে নগররে র্গীজা মহল্লা ও চকবাজাররে অধকিাংশ দোকানে ঈদকে কন্দ্রে করে বচোকনোর নামে গলা কাটছে ব্যবসায়ীরা। দামরে সঙ্গে মানরে মলি নইে।
চকবাজাররে পোশাকরে জোনাকি র্মাকটেে থ্র-িপসি কনিতে আসা মহলিা কলজেরে শক্ষর্িাথী সাথী আক্তার জানান, এবাররে অধকিাংশ কালকেশনই পুরোনো।
যে থ্র-িপসি ৩ হাজার টাকা হাঁকানো হয়ছে,ে তা ঢাকা থকেে তনিি কনিে এনছেনে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। সদর রোডরে অভজিাত পোশাকরে দোকান দাম নয়িে আরও অসন্তোষ ক্রতোদরে। সংগ্রহও পুরোনো বলে দাবি করনে অনকে।ে
যদওি কছিু দোকানে ক্রতোদরে ভড়ি যমেন বশেি তমেনি দামটাও সাশ্রয়ী—এমন মন্তব্য কনোকাটা করতে আসা স্কুলশক্ষিকিা সাদয়িা আফরনিরে। তবে তাঁর দাবি বগিত বছরগুলোতে জলো প্রশাসন যভোবে ঈদবাজারে অভযিান চালাত, এ বছর সটো জোরালো না।
এদকিে চকবাজাররে একাধকি দোকানে ভুয়া নাম দয়িে বক্রিি করছে ‘কাঁচা বাদাম’ নামে এক ধরনরে পোশাক। প্রলোভন দখেয়িে এসব পোশাক বক্রিি হচ্ছে উঠতি তরুণ-তরুণীদরে কাছ।ে বক্রিতোরা জানয়িছেনে, পোশাকে এই নাম বসয়িে দওেয়া হয়ছে।ে এ ধরনরে পণ্য আছে কি না জানা নইে।
এখানকার বভিন্নি দোকান ঘুরওে একই ধরনরে মন্তব্য পাওয়া গছেে ক্রতোদরে কাছ থকে।ে তাঁদরে দাবি ছুটরি দনিে ভড়ি বাড়ার সুযোগে দাম হাঁকানো হচ্ছে বশে।ি
অবশ্য বক্রিতোরা ন্যায্য দাম রাখার দাবইি করছনে। বাজার রোডরে রামকৃষ্ণ বস্ত্রালয়রে বক্রিতো হৃদয় খান বলনে, তাঁরা ক্রতোদরে সার্মথ্য ববিচেনা করে বক্রিি করছনে।
কনজউিমার অ্যাসোসয়িশেন অব বাংলাদশেরে (ক্যাব) বরশিাল জলোর সাধারণ সম্পাদক রনজৎি দত্ত বলনে, সরকার চষ্টো করলওে ব্যবসায়ীদরে অধকি মুনাফা আদায়রে প্রবণতা নয়িন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
উৎসব এলে বাড়তি দামে ক্রতোকে ঠকানো রোধ করা দরকার। বক্রিতো নাজহোল করলে ভোক্তা অধকিার সংরক্ষণ অধদিপ্তরে অভযিোগ করতে পারনে।








