যুব বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব শেষ করে সুপার সিক্স নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। চলমান আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। চলমান বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই টাইগার যুবদের সামনে। পূর্ণ ২ পয়েন্ট না পেলে এখানেই রাব্বি-রিজওয়ানদের বিশ্বকাপ সফরের ইতি ঘটে যাবে। এমন সমীকরণ নিয়ে টসে হেরে বোলিংয়ে যায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। এদিকে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় নেপাল।
টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নেপালের হয়ে ইনিংস শুরু করতে আসেন অর্জুন কামাল ও বিপিন রাওয়াল। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো পায়নি নেপালের। উইকেটে থিতু হবার আগেই দলীয় ১৮ রানে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মারুফ মৃধার বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন বিপিন। প্যাভিলিয়নে যাবার আগে ১২ বল ২ রান করেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসা আকাশ ত্রিপাঠিও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি বাইশ গজে।
দলীয় ২৮ রানে ইকবাল হোসেন ইমনের বলে আউট হয়ে প্যাভভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। সাজঘরে যাবার আগে ১৩ বলে ৩ রান করেন তিনি। এরপর দলীয় ১ রানের ব্যবধানে রোহানত দৌলা বর্ষণের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার কামাল। ফেরার আগে ২৬ বলে ১৪ রান করেন তিনি। ফলে পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে নেপাল।
শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে অধিনায়ক দেব খানাল ও বিশাল বিক্রমের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় নেপাল। এই দুই জনের ৬২ রানেরর জুটিতে এগোতে থাকে তারা। তবে ইনিংসের ২৮তম ওভারে অধিনায়ক দেবকে ৩৫ রানে সাজঘরে ফিরিয়ে টাইগারদের ব্রেক থ্রু এনে দেন জিশান আলম। এরপর চতুর্থ উইকেট ব্যাট হাতে আসেন গুলশান ঝা। তাকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখে বিশাল।
তবে দলীয় ১২১ রানে গুলশান আউট হলে ভাঙে এই ৩০ রানের জুটি। প্যাভিলিয়নে যাবার আগে ৩ রান করেন তিনি। এরপর তিন রান করে দ্রুত ফিরে যান দীপক বোহারাও। একদিকে যখন আশা যাওয়া মিছিল চলতে ছিলো নেপালের, সেখানে ব্যাট হাতে বিশাল বিক্রম শুধে লড়ে গিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বিশালের ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৯.৫ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় নেপাল। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন রোহানত দৌলা বর্ষণ।







