ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) অ্যারোসল রিসার্চ ল্যাব ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশে
জাইকার প্রধান কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেয়। আলোচনায় বায়ুদূষণ মোকাবেলায় দুই পক্ষই বায়ুদূষণ রোধে
তাদের প্রচেষ্টা এবং অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
এ সময় জাইকার প্রতিনিধি মুরাকামি শিন ঢাকা ও চট্টগ্রামে বায়ুদূষণ মোকাবেলায় তাদের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার কথা
তুলে ধরেন। এই আলোচনায় উভয় পক্ষই বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় নীতি অনুযায়ী সংকট নিরসনে বিভিন্ন করণীয়
দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
এনএসইউ'র পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: ফিরোজ খান বায়ু বিশুদ্ধকরণের মূল
কৌশল উপস্থাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের ২০২২ সালের বায়ু দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালার তাৎপর্য তুলে ধরে দূষণের
কেন্দ্রগুলোতে কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। ড. ফিরোজ পরিবেশ অধিদপ্তরের (ডিওই) নির্ধারিত
বায়ুর মানের কথা উল্লেখ করে ইউরো ৬ বা ৭ এর মতো উচ্চতর জ্বালানী মান গ্রহণের পক্ষে মতামত দেন। তিনি বলেন,
কার্যকর বায়ু মানের প্রয়োগ অবশ্যই বাস্তবসম্মত মানগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে, কারণ ২০২১ সাল থেকে
বায়ুর গ্রহণযোগ্য মান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লুএইচও) মানকে ছাড়িয়ে গেছে।
ড. ফিরোজ শহুরে অঞ্চলে ইনডোর আর্কিটেকচারের বৈষম্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি শক্ত কাঠ, গোবর, কাঠকয়লা
এবং কয়লা ব্যবহারের বিপদের উপর জোর দিয়ে গ্রামীণ অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী অভ্যন্তরীণ নকশা এবং নিরাপদ রান্নার চুলা
বাড়ানোর আহ্বান জানান।
এছাড়া, জাপানে জাইকার সদর দপ্তর বাংলাদেশের বায়ুর গুণগত মান উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারা পরিবেশ
অধিদপ্তরকে (ডিওই) সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যা প্রাথমিক বায়ু দূষণ পর্যবেক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি
করবে।
সমাপ্ত//








