চলমান সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই আগে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছিল বাংলাদেশের ব্যাটাররা। অবশ্য সিরিজের শেষ টি-২০তে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। তবে শামীমের ব্যাটে ভর করে লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে টাইগাররা।
নির্ধারিত ২০ ওভারও ব্যাট করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৯.২ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে ১২৪ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা।
শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে টাইগাররা। দলে সুযোগ পেয়েছেন রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও রনি তালুকদার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই মার্ক আদাইরের বলে সাজঘরে ফেরেন লিটন। ডকরেলের তালুবন্দী হওয়ার আগে মাত্র ৫ রান করেন তিনি।
এরপর পাওয়ার প্লে-র ছয় ওভারের মাঝে আরো তিনবার উইকেট শিকারের আনন্দে মেতেছে আইরিশরা। যেখানে একে একে আউট হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৪), রনি তালুকদার (১৪) ও সাকিব আল হাসান (৬)।
তৌহিদ হৃদয় এদিন ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। অভিষিক্ত রিশাদ হোসেন করেন ৮ রান। রানের খাতা খোলার আগেই তাসকিন আহমেদ আউট হলে বড় বিপদে পড়ে টাইগাররা। এ সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৬১ রান।
অষ্টম উইকেটে ৩৩ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন শামীম পাটোয়ারি ও নাসুম আহমেদ। ১৩ রানে নাসুম ফিরলে ভাঙে এ জুটি। এরপর শরিফুল ফেরেন ৫ রানে। দলের হয়ে শেষদিকে একাই লড়াই করেন শামীম।
একপ্রান্ত আগলে রেখে বাহারি সব শটে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূরণ করেন শামীম। তার ব্যাটে ভর করেই লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শেষ উইকেট হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৫১ রান করেন তিনি।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে মার্ক আদাইর তিন ও ম্যাথু হামফ্রেস দুটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন ফিওন হ্যান্ড, হ্যারি টেক্টর, কার্টিস ক্যাম্ফার, বেন হোয়াইট ও গ্যারেথ ডিলানি।







