মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অল্প বয়সী শিক্ষার্থীদের উপর। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে হঠাৎ করে বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সের একটি এফ-৭ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয় যার অভিঘাতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা ভয়াবহ মানসিক ও শারীরিক ট্রমায় আক্রান্ত হয়।
প্রশ্ন জাগে কেন?
বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সের ট্রেনিং কি সাধারণ রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া কিংবা বেসামরিক জনবহুল এলাকায় হওয়া উচিত? একটা সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত কিংবা কারিগরি ত্রুটি কি আমাদের প্রজন্মের নিরাপত্তা কেড়ে নিতে পারে?
জানা থাকা উচিত, বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সের নিজস্ব ট্রেনিং ও অপারেশনাল ঘাঁটিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
বিএএফ বেস বঙ্গবন্ধু (ঢাকা)
বিএএফ বেস জহুরুল হক (চট্টগ্রাম)
বিএএফ বেস পাশুর (খুলনা)
বিএএফ বেস শেখ হাসিনা (কক্সবাজার)
বিএএফ বেস শাহীন (জেসোর)
পাইলট ট্রেনিং স্কুল (জেসোর)
এবং অন্যান্য প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ঘাঁটি।
তবে প্রশ্ন থেকেই যায় যদি তাদের নিজস্ব নিরাপদ ও সুনির্দিষ্ট ঘাঁটি থেকে বিমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো যায়, তবে কেন এইসব যুদ্ধবিমান বেসামরিক এলাকায় এই ঝুঁকিপূর্ণ অনুশীলনে অংশ নিচ্ছে?
এটা কি শুধুই অবহেলা, না কি আমাদের জীবন-মূল্যই এখানে তুচ্ছ?
একটি ছোট ভুলের চেয়ে বড় কোনও শিক্ষা হতে পারে না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি। যুদ্ধবিমান আমাদের রক্ষা করার জন্য আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য নয়।
আসুন আমরা কণ্ঠ তুলি শিক্ষাঙ্গন হোক শান্তির জায়গা আকাশ হোক নিরাপদ সব বয়সের জন্য।







