অরবিন্দ রায়,স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাজীপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি আ,ন,ম,খলিলুর রহমান ইব্রাহিম বলেছেন , বিএনপি আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন করবেন না। তিনিবলেন,বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।তাই গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করেননি।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করায় বিএনপির ২৯ জন নেতা কর্মীকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পত্রে বলা হয়, ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যাঁরা কাউন্সিলর হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিএনপি সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ইতিমধ্যে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হলেও সংশ্লিষ্ট নেতারা কোনো সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে বরং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত রয়েছেন। দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২৯ নেতাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।আজীবন বহিষ্কৃতরা হলেন- হাসান আজমল ভূঁইয়া, আহ্বায়ক, সদর মেট্রো থানা যুবদল (২৮নং ওয়ার্ড)। হান্নান মিয়া হান্নু, সাবেক আহ্বায়ক, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২৬নং ওয়ার্ড)। মোছলেম উদ্দিন মুসা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, বাসন মেট্রো থানা বিএনপি (১৭নং ওয়ার্ড)। সফিউদ্দিন আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি (৩৭নং ওয়ার্ড)। ফয়সাল সরকার, আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর শ্রমিকদল (১৭নং ওয়ার্ড)। অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বিকি, সদস্য সচিব, পূবাইল মেট্রো থানা বিএনপি (৪০নং ওয়ার্ড)। সুলতান উদ্দিন চেয়ারম্যান, সাবেক আহ্বায়ক, পূবাইল মেট্রো থানা বিএনপি (৪২নং ওয়ার্ড)। মজিবর সরকার, সভাপতি, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২৫নং ওয়ার্ড)। মাহবুবুর রশিদ খান শিপু, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২৪নং ওয়ার্ড)। সবদের আহাম্মদ, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২২নং ওয়ার্ড)। খায়রুল আলম, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২৯নং ওয়ার্ড)। জি এস মনির, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২৯নং ওয়ার্ড)। শহিদ, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (২১নং ওয়ার্ড)। মো. তানভির আহমেদ, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (১৯নং ওয়ার্ড)। শাহিন আলম, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (১৯ নং ওয়ার্ড)। আনোয়ার সরকার, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (৩০নং ওয়ার্ড)। রফিকুল ইসলাম রাতা, সদস্য, সদর মেট্রো থানা বিএনপি (১৬নং ওয়ার্ড)। আবুল হাশেম, সদস্য, গাজীপুর মহানগর বিএনপি (৫৫নং ওয়ার্ড)। সেলিম হোসেন, সদস্য, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি (৫৫নং ওয়ার্ড)। মো. ফারুক হোসেন খান, সাবেক সদস্য, গাজীপুর মহানগর বিএনপি (৩৫নং ওয়ার্ড)। খন্দকার নুরুন্নাহার, সিনিয়র সহ-সভাপতি, গাজীপুর মহানগর মহিলাদল (২৫, ২৬ ও ২৭নং ওয়ার্ড)। কেয়া শারমিন, সহ-সভাপতি, গাজীপুর মহানগর মহিলা দল (৫২, ৫৩ ও ৫৪নং ওয়ার্ড)। ফিরোজা বেগম, সদস্য, গাজীপুর মহানগর মহিলা দল, (৪৬, ৪৭ ও ৪৮নং ওয়ার্ড)। হাসিনা মমতাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দল (৪৬, ৪৭ ও ৪৮নং ওয়ার্ড)। অ্যাডভোকেট আলম, সাবেক সভাপতি, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি (১১নং ওয়ার্ড)। আউয়াল সরকার, সভাপতি, ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপি (৩৭নং ওয়ার্ড)। মো. মাহফুজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, গাছা থানা বিএনপি (৩৪নং ওয়ার্ড)। মোবারক হোসেন মিলন, যুব বিষয়ক সম্পাদক, ৪৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি (৪৯নং ওয়ার্ড)। ইঞ্জিনিয়ার লমনিরুজ্জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক, টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদল (৫১নং ওয়ার্ড)।
গাজীপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি আ, ন, ম, খলিলুর রহমান ইব্রাহীম জানান, বিএনপি গনতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন করছে। বিএনপি সকল প্রকার নির্বাচনে অংশ গ্রহন না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে যারা নির্বাচন করবে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করাই স্বাভাবিক।
অপর দিকে বিএনপির দল থেকে বহিষ্কার করায় কর্মীরা হাশায় পড়েছে। অনেক কর্মী দল ছেড়ে পরিবার সহ অন্য দলে যাবার চিন্তা করছে বলে জানা যায়।







