বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করার চিন্তা করছে সরকার। তবে, এ বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শুক্রবার (১২ আগস্ট) ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির ‘জাতীয় সম্মেলন ও পলিটেকনিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. ওমর ফারুক, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির (বাপশিস) সভাপতি মো. আমান উল্লাহ খান ইউসুফজী প্রমুখ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা যায় কিনা ভাবা হচ্ছে, তবে এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। হয়তো শিগগিরই এ বিষয়ে আপনাদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারবো।
তিনি বলেন, আমরা চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টিএসসি স্থাপনের বিষয়ে ভাবছি। কারিগরি শিক্ষাকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসতে হবে। কারিগরি শিক্ষার যখন জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, তখন এই সেক্টরের শিক্ষকদেরও মান-মর্যাদা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে না।
মন্ত্রী বলেন, যে দেশ যত বেশি উন্নত হয়েছে, তাদের কারিগরি শিক্ষার হার তত বেশি। কারণ, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো লোক বেকার থাকে না। কিন্তু আমাদের পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে কারিগরি শিক্ষাদানের জন্য দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব রয়েছে। ল্যাব তৈরির জন্য টাকা দিয়েছে সরকার। তবে দক্ষ প্রশিক্ষক না থাকায় ১৩টি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা ফেরত দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে দুই বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ ছিল। তাই শিখন ঘাটতি নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে আমাদের গবেষণা বলছে, করোনার কারণে আমাদের কোনো শিখন ঘাটতি হয়নি। বরং শাপে বর হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্ব-শিখনের দক্ষতা তৈরি হয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করে দিয়েছি। অনিবার্য কারণ না থাকলে এসএসসি পরীক্ষা সময়মতোই হবে।







