রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে অসহায় ভূমিহীন মানুষের মাঝে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। ঘর পাওয়ার সনদপত্র পাওয়ার পরও মিলছেনা তাদের ভাগ্যে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। এমনই বিচার নিয়ে অভিযোগ ওঠেছে। আজ (১৮ আগষ্ট) দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পর্যায়ে ৪নং দিওড় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ভূক্ত কেন্দুয়া পাড়া মহল্লায় সরকারি খাসজমির উপরে ২৩টি আবাসন প্রকল্পের ঘর নির্মান করা হয়েছে। সেখানেই ঘর দেওয়ার কথা ছিল মর্মে মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন দিওড় ইউনিয়নের কানিকাটাল মহল্লার দিনমজুর শফির উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ আমেনা খাতুন,দিকশো মহল্লার নুর আলমের স্ত্রী মোছাঃ হাসিনা বানু ও কেন্দুয়া পাড়া মহল্লার ভিক্ষুক মৃত্যু আনেচ আলীর স্ত্রী মোছাঃ ময়ফল বিবি গণকে গত ২৪শে এপ্রিল /২০২২ ইং তারিখ সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে একজনের জমি ও গৃহের রেজিষ্ট্রেশন কাগজপত্র রয়েছে। আর ২ জনের সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। পক্ষান্তরে উক্ত ভূমিহীন ভূক্তভোগীরা গত ২৪ শে এপ্রিল থেকে চলমান আগষ্ট মাস অবধি ঘরের আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে কিন্তু তারা উক্ত ঘর পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন। এবিষয়ে উক্ত ভূক্তভোগী গণের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন,বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জমি ও ঘর দিয়েছেন কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাদের কে সনদপত্র দেওয়ার পরও ঘর না দিয়ে দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। তারা এবিষয়ে আরও বলেন,আমাদের কে দিওড়ের কেন্দুয়া পাড়া মহল্লা সংলগ্ন যে আবাসন প্রকল্পের ঘর রয়েছে সেখানে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের ৩জনের সনদপত্র থাকার পরও সেখানকার ঘর পাচ্ছি না। ওখানে যাদেরকে আবাসন প্রকল্পের ঘর দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে বেশি ভাগই মানুষের তাদের পাড়া মহল্লায় স্হায়ী পাকা বাড়ি ও মাঠের জমি রয়েছে বলে জানা যায়। এবিষয়ে তথ্য সংগ্রহে উক্ত দিওড় ইউনিয়নের কেন্দুয়া পাড়া মহল্লা সংলগ্ন আবাসন প্রকল্প ঘর গুলোতে পরিদর্শনে গেলে বর্তমান ওয়ার্ড সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন কেন্দুয়া পাড়ার স্হায়ী বাসিন্দা মুরশিদুল হক পিতা মোকলেছার রহমানের কৃষি মাঠে আড়াই বিঘা জমি রয়েছে। রিমন বাবু পিতা মতিয়ার রহমান বর্তমান দিওড় ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম পুলিশ এর-১ একর ১১ শতক জমি রয়েছে। মোঃ জহির মিয়া পিতা জয়নাল আবেদিন কেন্দুয়া পাড়ার ডিপঘর পাকা রাস্তা সংলগ্ন পাকা বাড়ি রয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান পিতা মোখলেছার রহমানের পাকা বাড়ি রয়েছে। এরা কখনো সরকারি আবাসনের ঘর পাওয়ার যোগ্য নয়। তারা তো ভূমিহীন নয় তারা কিভাবে আবাসন প্রকল্পের ঘর পায়। এসব কিছু করেছে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল। দিওড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল যোগসাজশে সরকারের আইনকে উপেক্ষা করে অর্থের বিনিময়ে এই ঘর গুলো প্রদানের সার্বিক সহযোগিতা করেছে। উক্ত বিষয়ে সরজমিনে সঠিক তদন্ত করলেই আসল রহস্য বের হয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেন। এবিযয়ে ভূক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবারও ঘর পাওয়ার আশায় গেলে নির্বাহী কর্মকর্তা পূনরায় কয়েকদিনের মধ্যে ঘর পাবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন বলে তারা জানান। তারা আরও বলেন এভাবেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিনের পর দিন আমাদের ঘর দেওয়ার কথা বলে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন। তারা উক্ত বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।।








