এম,ডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর
বিরামপুরে গরমের মধ্যে শীতের সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা। লাভের আশায় বিরামপুর উপজেলার কৃষকগণ গরমের মধ্যেই শীতকালীন সবজি চাষ করেন। সারা বছরই এবার সবজির বাজার চড়া মূল্যের প্রভাব প্রকাশ পেয়েছে। চড়া বাজারে আরও লাভের আশায় বৃষ্টিহীন আবহাওয়ার মধ্যে সারাদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন কৃষকগন। গরমের মৌসুম শেষের দিকে আসতে চলেছে শীত। শীতের বাজারে সবজি তুলতে কঠোর ভাবে কাজ করছেন কৃষকেরা।
বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর,
মাহমুদপুর,হাবিবপুর,দয়েরপাড়, হরিদাশপুর,মুকুন্দপুর,কাটলা,জো
উক্ত এলাকার কৃষকেরা শীতকালীন সবজি ফুলকপি,মুলা,বেগুন,বাঁধাকপি, টমেটো,সিম,লালশাক,পালংশাক, পুঁইশাক ও পেঁয়াজ শীত পূর্বেই বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও সবজি ও চারার জন্য বিখ্যাত এই সকল এলাকার কৃষকরা শীতকালীন ও গ্রীস্মকালীন সবজি ও চারা পাশের জেলা ও উপজেলায়। এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,বিরামপুরে প্রতিবছর শীতকালীন সবজির ভালো চাষ হয়ে থাকে। এবছর বৃষ্টি না হওয়ায় চারা ভাল হয়েছে। শীত আসার এখনও কিছু সময় থাকলেও এখনই সবজি চাষীরা আগাম সবজি চাষ আরম্ভ করেছেন। এবছর উপজেলায় ১১৬ হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপরীতে ফলন ধরা হয়েছে ১০০ হাজার মেট্রিকটন। বিরামপুরের সবজি চাষের জন্য আরমান আলী এলাকার কৃষক খাদেমুল প্রতিবছর আগাম সবজি চাষ করে থাকেন। এবছর তারা ২ বিঘা জমিতে আগাম ফুল কপির চাষ করে দিনরাত পরিচর্যা করছেন। ফুলকপি পরিপূর্ণ হতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে ।এবিষয়ে তিনি আরও জানান,আগাম সবজি চাষ কষ্টসাধ্য হলেও দ্বিগুন লাভ হয়ে থাকে। আরও জানা যায়,প্রতিবিঘা জমিতে সবজি চাষের জন্য প্রায় খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। খরা মৌসুমের জন্য ফলন হতে একটু দেরি হলেও ভাল লাভ পাওয়া যায়। উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের এক কৃষক জানান,তিনি প্রগিশীত মৌসুমে কয়েকবার শীতকালীন সবজি চাষ করে থাকেন। উল্লেখ্য,প্রতি চারা থেকে বাজার জাতের উপযোগী ফুলকপি চাষে ২মাস সময় নেয়। তবে তিনি ১০ শতক জমির ফুলকপি ৩২শ’ টাকা মন দরে বিক্রয় করেন। এবিষয়ে অনেক কৃষক জানান,প্রতিবছর শীতকালীন সবজি গরমের মধ্যে চাষ করে বেশ আয় করে যায়। বেশ কিছু জমিতে টমেটো,কপি,মরিচ, বাঁধাকপি,বেগুন রোপন করে পরিচর্যা করে যাচ্ছেন নিয়মিত,আবহাওয়া ভাল থাকলে শীতকালীন সবজি বাজারে তুলতে পারবেন বলে কৃষকেরা মনে করেন।
এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা কৃষি সংশ্লিষ্ট গণের মতে জানা যায়,অনেক কৃষক বেশি লাভের আশায় আগাম সবজি চাষ করেছেন। এমন সবজি চাষে ফলনও ভাল হয়। সাধারণত কার্তিক মাসে শীতকালীন সবজির চাষ আরম্ভ হয়। এমন মৌসুমে সকল কৃষক গণকে আগাম সবজি চাষের পরামর্শ দিয়েছেন।








