রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুর বিরামপুর উপজেলা শহরেও নেমে এসেছে বলে জনগণের ভোগান্তি রুপ চিত্রের বর্হিপ্রকাশ ঘটেছে। আজ (১৫ জুলাই) বিরামপুর উপজেলা শহরের বিভিন্ন স্হান ঘুরে দেখা ও জানা যায় যে,তীব্র তাপদাহে ওষ্ঠাগত জনজীবন চলমানের দৃশ্যমান হয়েছে। উক্ত বিষয়ে পর্যবেক্ষণে জোতবানি,বিনাঈল,কাটলা,মুকন্দপুর, পলিপ্রয়োগপুর,খাঁনপুর,দিওড় সহ বিরামপুর পৌরসভায় সরেজমিনে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনসাধারণ। এবিষয়ে জনসাধারণের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন,এরকম গরম আর কখনও দেখি নাই। এত গরম হাওয়ার পাশাপাশি প্রখর রোদের ঝাঁলা সহ্য করা বড় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাড়া মহল্লা হাট বাজার ঘুরে আরও জানা যায় যে,এই তীব্র গরমে মানুষের মাঝে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ছোট শিশুরা বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। ফসলের জমির চিত্র সহনীয় রুপ। ফসলের মাঠ গুলো শুকিয়ে গেছে। পলি এলাকা গুলোতে ফসলের গাছ ও ফসল গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমন ধানের চারা গুলো প্রখর রোদে পুড়িয়ে যাচ্ছে। কৃষক গণ ঘনঘন পানি সেচেও রক্ষা হচ্ছে না ফলে কৃষকেরা বিপাকে পড়েছে কৃষকের দল। এই তীব্র গরমে পশুপাখিরাও গাছের ডালে ডালে থাকতে পারছেনা। আমন ধান রোপণের মাঠ গুলো শুকিয়ে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। গাছপালা ও পাতা গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। ফসলের মাঠ গুলো শুকিয়ে যাওয়ার ফলে মাঠের মাছ গুলো মরে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গৃহপালিত পশু গুলোর অবস্থা আরও করুন দৃশ্য। তীব্র গরমে ঘাঁসের মাঠে গৃহপালিত পশু গুলো থাকতে পারছেনা। এবিষয়ে স্হানীয় উপজেলা প্রাকৃতিক ও প্রানী সম্পদ কার্যালয় নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। বিশেষ করে মানুষের চলাফেরায় অতীষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্হানীয় কমিউনি ক্লিনিক,হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গণ উক্ত তীব্র গরমে চলাফেরা করতে নিষেধ করেছেন। শিশুদের বেশি বেশি করে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছেন। এমন অবস্থায় স্হানীয় কমিউনি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে রেগীর ভীড় পড়েছে বলে জানা যায়। এবিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র মতে জানা যায়,তীব্র গরমে সারা দেশ এখন কোনঠাসা সবখানেই একই অবস্থা বিরাজমান। এই অবস্থা বেশ কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানান।
Post Views: 204
Related