রেজোওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে সরকারি খাঁস জমির উপর অবৈধ ভাবে বিল্ডিং বাড়ি তৈরি করায় এলাকাবাসির অভিযোগ । আজ (১০ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুর বিরামপুর উপজেলার অর্ন্তরভূক্ত দিওড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দিওড় দক্ষিণ পাড়া মহল্লায় সরকারি খাঁসজমি রয়েছে। উক্ত জমিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আবাসন প্রকল্পের ৬টি ঘর নির্মান হয়েছে। উক্ত আবাসন প্রকল্পের ঘর গুলোর ঠিক মাঝে ৮শতক জায়গার উপর মৃত সোবহান মিয়ার ২ছেলে মিজানুর রহমান ও হেলাল মিয়া ২টি ইটের বাড়ি নির্মাণ করেছে। এবিষয়ে স্হানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ,উক্ত জায়গা সরকারি খাস জমি। উক্ত জায়গায় অত্র গ্রামের মিজানুর রহমান ও হেলাল মিয়া আইন অমান্য করে ২টি ইটের বাড়ি তৈরি করেছে। তারা আরও বলেন,উক্ত ২জন কি উপায়ে কার অনুমতি ক্রমে বাড়ি ২টি তৈরি করেছে তাহা জানেন না। এমতাবস্থায় তাদের বাড়িতে উপস্থিত থাকা তাদের মা বেশ কিছু তথ্য প্রদান করেন। তিনি বলেন,আমার ছেলেদ্বয় অতি সাধারণ ভাবে জিবীকা অর্জন করে থাকেন। কালের বিবর্তনে স্হানীয় জনগণের সাথে পরামর্শ ক্রমে আমার ছেলেদ্বয় এই সরকারি জায়গার উপর ইটের বাড়ি তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন,সরকারি ভাবে আবাসন প্রকল্পের ঘর তৈরীর সময় এই বাড়ি গুলো স্হান পরিবর্তন করতে হবে এই স্হানে রাখা যাবেনা বলে জানান স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল। এমন অবস্থায় আমার ছেলেরা বিপাকে পড়ে যায়। একপর্যায়ে ৯নং ওয়ার্ড সদস্য আমিনুল ইসলামের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডলের নিকট উক্ত বাড়ি গুলোর স্হায়ী করণ সমাধানের কথা বলা হয়।
উক্ত আলোচনায় ছিল ওয়ার্ড সদস্য আমিনুল ইসলাম,বাড়ির মালিক হেলাল ও মিজানুর রহমান। উক্ত আলোচনার একপর্যায় ইউপি চেয়ারম্যান কে বাড়ি না সরানোর জন্য ৭০,০০০/(সত্তর হাজার) টাকা প্রদান করা হয়। এমন অবস্থায় উক্ত সরকারি খাঁসজমির উপরে ৬টি আবাসন প্রকল্পের ঘর তৈরী করা হয়। কিনা বিছিন্ন রুপ নেয় মধ্যে থাকা পূর্বের ২টি ইটের বাড়ি। এবিষয়ে ওয়ার্ড সদস্য আমিনুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,ঘটনা সত্য আমি নিজে থেকে আমার হাত দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল কে ৭০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন,চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল জানান উক্ত বাড়ি গুলো উক্ত স্হানে স্হায়ী ভাবে রাখতে স্হানীয় ইউএনও,সাংবাদিক ও তৌহসিলদার কে মেনেচ করতে ১ লক্ষ টাকা লাগবে। আলোচনার একপর্যায়ে ৭০ হাজার টাকায় তাহা মেটানো হয়ে থাকে।
যাতে করে বাড়িগুলোর উপর কোন রকম চাপ সৃষ্টি না হয়। এমন ঘটনায় ৭৮৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড মহিলা সদস্য আফসুন্নাহার জানান,উক্ত ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের ঘটনা সত্যতা আছে। পাশাপাশি উক্ত বাড়ি ২টি সরকারি খাস জমির উপর অবৈধ ভাবে তৈরি করেছে। এবিষয়ে ইউপি তহশিলদার মুটোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি যতদুর জানি জায়গাটি খাসজমি। কিভাবে কার অনুমতি নিয়ে করেছে তাহা আমি জানিনা বলে জানান।
স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডলের নিকট জানতে চাইলে উক্ত বিষয় অস্বীকার করে এড়িয়ে যান। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জানতে চাইলে তিনি ১০ সেপ্টেম্বর ১২ঃ১৪ মিনিট সময়ে ০১৭৬১-৪৯৩৫৩৩ মোবাইল নাম্বারে মুটোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
উক্ত বিষয়ে আমি কিছু জানিনা তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে বলে জানান। এবিষয়ে স্হানীয় জনসাধারণ জানান,আইন অমান্য করে সরকারি খাসজমির উপর বিল্ডিং বাড়ি তৈরি করার বিষয়ে সরজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান।।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







