প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সকাল ৭ টায় শ্রীক„ষ্ণের বিহিত পুজা, সকাল ১০ টায় আলোচনা সভা, দুপুর ১ টায় প্রসাদ বিতরণ এবং বিকাল ৩
টায় শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা সহযোগে পলাশীর মোড়ে মূল শোভা যাত্রায় অংশ গ্রহণ
করে। পরে মূল শোভাযাত্রার সাথে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিক্টোরিয়া পার্ক এসে শেষ করে।
সকাল ১০ টায় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাভায় অংশগ্রহণ
করেন নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার পাল , মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, সহ
সভাপতি নিতাই দে সরকার, দুলাল চন্দ্র মন্ডল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রতীভা বাকচী, হিন্দু যুব
মহাজোটের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি মধু, সাধারণ সম্পাদক সুজন গাইন, অর্থ সম্পাদক মধাব মিত্র, ছাত্র
মহাজোটের সভাপতি সজিব কুন্ডু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাণীব্রত সাহা, দপ্তর সম্পাদক সজিব দাস,
গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক শুভজিৎ চক্রবর্তী, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সদস্য সচিব নূপুর বসাক, ঢাকা মহানগর
উত্তরের আহ্বায়ক অপু রায়, সবুজ দত্ত, বিষ্ণু বর্মন প্রমূখ।
আলোচকগণ ভগবান শ্রীক…ষ্ণের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মধ্য দিয়ে দেশে
জনগনের সুখ শান্তিসমৃদ্ধি নিশ্চিত করার বিষয় তুলে ধরেন। বক্তাগণ বলেন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর
হিন্দু সম্প্রদায় আশা করেছিলো হিন্দু সম্প্রদায় স্বস্তি পাবে, নির্যাতন হবে না। সকল প্রকার বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু হিন্দু
সম্প্রদায়ের সে আশা নিরাশায় পরিনত হয়েছে। সংখ্যানুপাতে জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ৩০ জন সদস্য থাকার কথা
কিন্তু আছে ২ জন, যারা আবার নিজেদের হিন্দু হিসেবে স্বীকার করেন না। জাতীয় সংসদ আজ তাই হিন্দু প্রতিনিধি
শুন্য। সরকারের মন্ত্রী সভাতেও হিন্দু সম্প্রদায়ের অবস্থান নাজুক।
বক্তাগণ আরো বলেন প্রতিটি সরকারেই হিন্দু সম্প্রদায় উপেক্ষিত থেকেছে। স্বাধীনতার প্রাক্কালে ২২% হিন্দু থাকলেও
আজ তা নেমে এসেছে ৮% এ। রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব না থাকায় হিন্দু সম্প্রদায় ধীরে ধীরে বিলুপ্তির দিকে ধাবিত
হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ১৫/২০ বছরের মধ্যে এদেশ হিন্দু শুন্য হবে।
বক্তাগণ বলে দেশের বিভিন্নস্থানে হামলা, অগ্নিসংযোগ, খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের হুমকী, জমি দখল, প্রতিমা ভাংচুর,
দেশত্যাগে বাধ্যকরন, কিশোরী অপহরণ, জোরপুর্বক ধর্মান্তর, চুরি ডাকাতিতে অতিষ্ঠ। পুলিশ তৎপর থাকলেও
অপরাধ দিন দিন বেড়েই চলছে। বক্তাগণ সকল হিন্দু নির্যাতন ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
দাবী করেন।
একই সাথে সংখ্যালঘু নির্যাতন, দেশত্যাগ বন্ধে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদ
সহ সর্বক্ষেত্রে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূনঃ প্রতিষ্ঠার দাবী
জানান।








