মোহাম্মাদ সোহেল (টাঙ্গাইল) জেলা প্রতিনিধি;
বিগত দিনে গোবিন্দাসী ঘাটপার হতে নদী তীরবর্তী কষ্টাপাড়া,ভালকুটিয়া, চিতুলিয়া, পাটিতাপাড়া, নাগরগাতী, কোনাবাড়ী পর্যন্ত বসতভিটা জায়গা-জমি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে হাজার হাজার পরিবার। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
স্থানীয় দের দেওয়া তথ্য মতে বাংলা ড্রেজার ও বেকু দিয়ে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও অপরিকল্পিতভাবে নদী খনন অথবা ড্রেজিংয়ের কারণে ক্ষতির শিকার হয় নদী। এ-ছাড়া নদীর পাড়ের ঘাস, কাশবন উজাড় করে ফেললে মাটি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির তোড়ে ভাঙন সৃষ্টি হয়। এ বছর জুন মাস থেকেই নদী ভাঙন ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। চিতুলিয়া যমুনা তীরবর্তী দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে ভাঙন।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে (শনিবার ১জুলাই) বিকালে এমপি ছোট মনির চিতুলিয়া নদী ভাঙন কবলিত স্থানে সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভাঙন কবলিদের আশ্বস্ত করেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তারই ধারাবাহিকতায় রবিবার (২জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ শামিম মিয়া বলেন চিতুলিয়া নদী ভাঙন রোধে ৫০ মিটার বালি ভর্তি ৬ হাজার ৬ শত পিছ জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হবে। চিতুলিয়া পাড়া থেকে পাটিতা পাড়া পর্যন্ত ২ কিলোমিটার ডাম্পিং কাজের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া দিন রয়েছে। আশা করছি বর্তমান চিতুলিয়াপাড়া চলমান কাজ শেষে পাটিতা পাড়া দুই কিলোমিটার বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে ভাঙন কবলিতদের দাবি যদি ঠিকাদার কর্তব্যরত কাজে অনিয়ম না করে তাহলে নদী তীরবর্তী প্রায় ২ হাজার বসত ভিটা নদী ভাঙনের ভয়ংকর থাবা থেকে রক্ষা পাবে।








