কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ভোট দেওয়া নিয়ে তর্কের জেরে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক ওয়ার্ড কর্মীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের চাঁন্দামারী ঝাঁকুয়া পাড়া গ্রামের ডা. মৃত আ. মতিনের ছেলে। অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান ওরফে রোকন একই এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে।
জানা যায়, নির্বাচনের দিন ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রামে শ্বশুর আলতাব হোসেনের বাড়িতে যান। পরদিন শুক্রবার সকালে তার চাচাশ্বশুর মোখলেসুর রহমান জমিতে পানি দিতে যান। এ সময় একই এলাকার আ. মান্নান ওরফে রোকন ও তার লোকজন মোখলেসুর রহমানকে মারধর করেন।
খবর পেয়ে মোখলেসুর রহমানের বাড়ির লোকজনসহ জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে (মোখলেসুর রহমান) উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ সময় রোকন বাড়ি থেকে আনা ধান কাটার কাঁচি দিয়ে আহম্মদ আলীর ঘাড়ে ও ঊরুতে কুপিয়ে জখম করেন। পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়া নিয়ে বিতর্কের জেরে ওয়ার্ড যুবদলের কর্মী রোকন ও তার লোকজন আমার চাচাশ্বশুর মোখলেসুর রহমানকে মারধর করে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে রোকন আমার ঘাড়ে ও ঊরুতে কুপিয়ে জখম করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রোকন ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাদের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি।
রাজারহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমার জানা মতে আব্দুল মান্নান ওরফে রোকন নামের যুবদলের কোনো কর্মী নেই।
এ ঘটনায় রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







