বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান দুদু বলেন, মওলানা ভাসানী সর্বশ্রেণীর মানুষের নেতা ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মওলানা ভাসানীর আদর্শ ধারন করতেন। মওলানা ভাসানী জিয়াউর রহমানকে সার্বিক সহযোগিতা করেছিলেন। তার দলের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমানকে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে। এভাবেই মাওলানা ভাসানীর ন্যাপের প্রতীক ধানের শীষ জিয়াউর রহমানের বিএনপির প্রতীকে পরিনত হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির উপদেষ্টা বিশিষ্ট কলামিষ্ট নাজমুল হক নান্নু বলেন মাওলানা ভাসানী ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের শ্রেষ্ঠ অভিভাবক। তিনি আজীবন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তিনি তিনি কখনো ক্ষমতা গ্রহণ করেননি কিন্তু কর্মীদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। তিনি সাধারণ মানুষের মতো জীবন যাপন করেছেন লোভ লালসা তাকে স্পর্শ করেনি। তিনি গণমানুষের পক্ষে কথা বলে বিভিন্ন সময়ে শাসকদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন যার কারনে তাকে মজলুম জননেতা বলা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন ১২ ডিসেম্বর জন্ম দিবস এবং ১৭ নভেম্বর মৃত্যু দিবসকে জাতীয় দিবস হিসাবে ঘোষণা করার জোর দাবি জানান। মাওলানা ভাসানীর মৃত্যু দিবসকে যথাযোগ্য মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন না করায় সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ।পাঠ্যপুস্তকে মাওলানা ভাসানীর সংগ্রামী জীবন কাহিনী গল্প আকারে তুলে ধরতে হবে।শেখ বাবলু বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছেন তাতে জাতি হতাশ হয়েছে।
শেখ বাবলু ভাসানী জনশক্তি পার্টির পক্ষ থেকে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ডক্টর আবু ইউসুফ সেলিম বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করেন দোয়া পরিচালনা করেন।
উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য বাবুল বিশ্বাস, জামাল উদ্দিন জামাল,বিলকিস খন্দকার,মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন , ভাসানী জনশক্তি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান তপন প্রমুখ ।







