জনসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনের কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে শিগগিরই মন্ত্রিসভায় এ সম্প্রসারণ ও রদবদল হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচটি মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে বলে সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করার পর এই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে যেসব মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি, সেখানে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা। বর্তমানে একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর কাঁধে অর্থ, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পরিবহনের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব থাকায় কাজের গতি কিছুটা ধীর হচ্ছে। এই চাপ সামলাতে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব যেন একটি মাত্র দপ্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের সরিয়ে একক দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর আগে ২০০১ সালেও বিএনপি সরকারের সময় প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা ৬০ জনে উন্নীত করা হয়েছিল। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
নতুন এই রদবদলে কয়েকজনকে উপমন্ত্রী এবং সংরক্ষিত নারী আসন থেকে একজন সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এ ছাড়া তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ রবিউল আলম রবিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে সরানো হতে পারে বলে জানা গেছে। নতুন মন্ত্রী হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নাম আলোচনায় রয়েছে। টেকনোক্র্যাট কোটায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিবুন্নবী খান সোহেল এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের নাম শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ উপনেতা হিসেবে নিযুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন, দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর নামও আলোচনায় আছে।








