প্রেস রিলিজ
আকিজ গ্রুপ’র ভেজাল দুধের তথ্য প্রকাশের জেরে হোসেন সোহেল ও প্রাকৃতিক হাটের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মামলা প্রত্যাহারের দাবি
ঢাকা, ২২ জুন ২০২৬ (সোমবার), সকাল ১১:০০টা
স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনস্বার্থে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার দাবিতে ২২ জুন ২০২৬, সোমবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উদ্যোক্তা ও ভেজাল বিরোধী নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের শাকিল আহম্মেদ বলেন, আকিজ গ্রুপ দুটি কেন ২০০টি মামলা দিলেও ভেজালের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে। পরিবেশবাদী সাংবাদিক ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হোসেন সোহেল ভাই-এর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
আয়োজক, উদ্যোক্তা ও ভেজাল বিরোধী নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের নেত্রী মেহেরুন নেছা শাহেলী বলেন, হোসেন সোহেল ভাই একজন পরিবেশবাদী সাংবাদিক ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক- দীর্ঘদিন তিনি ভেজালের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছেন। ভেজালের বিরুদ্ধে কথা বলায় আজকে তাঁর বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে।
উদ্যোক্তা ও ভেজাল বিরোধী নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের ব্রাত্র আমিন বলেন, জেলিসহ অন্যান্য কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি দুধের উপর পরিবেশবাদী সাংবাদিক হোসেন সোহেল ভাই একটি কনটেন্ট তৈরি করায় আকিজ গ্রুপ দুটি মামলা করেন। তিনি আরো বলেন, অবিলম্বে এ মামলা পত্যাহার করা না হলে আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক হাট দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ খাদ্য, ভোক্তা অধিকার এবং ভেজালবিরোধী সচেতনতা নিয়ে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির ‘নির্ভেজাল কথা বলে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ভেজাল, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এবং নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা হয়। সম্প্রতি গত ২৫ এপ্রিল প্রচারিত ‘গাই গরু ছাড়াই দুধ তৈরী’ নামক একটি পর্বে ভেজাল নকল দুধ তৈরির অভিযোগ ও বিভিন্ন অভিযানে উঠে আসা তথ্য তুলে ধরা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
মানববন্ধনের প্রধান দাবিসমূহ
১. উদ্যোক্তা ও সাংবাদিক হোসেন সোহেল এবং তার প্রতিষ্ঠান প্রাকৃতিক হাটের বিরুদ্ধে আকিজ গ্রুপ’র দায়ের করা দুটি মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
২. ভেজাল দুধ সংক্রান্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৪. জনস্বার্থে কাজ করা সাংবাদিক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সামাজিক উদ্যোগগুলোর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নজরদারি ও আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করতে হবে।
সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, ভোক্তা অধিকার আন্দোলনের কর্মী, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা এবং সকল সচেতন নাগরিককে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।







