ঢাকা: ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন’ করে নতুন যে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ করা হচ্ছে। সেখানে মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না। তবে থাকছে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। অনাদায়ে ৩ বা ৬ মাসের কারাদণ্ড।
জরিমানা না দিতে পারলে এই সাজা ভোগ করতে হবে।
সোমবার (৭ আগস্ট) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৯ ধারায় মানহানির বিচার করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করেন, তার জন্য তিনি অনধিক তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। নতুন আইনে এ জরিমানা ২০ লাখ টাকা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করে সাইবার নিরাপত্তা আইনে প্রতিস্থাপনের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এসে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি পরিস্কার করে বলছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল নয়, পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বহু ধারা নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে। কিছু ধারায় বড় সংশোধনী আনা হবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মানহানির অভিযোগ কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান ছিল। নতুন আইনে সেখানে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান করা হবে। মন্ত্রী বলেন, এটি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।
দেওয়ানি মামলায় যেভাবে জরিমানার বিষয়গুলো আছে, সেভাবেই সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো থাকবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।








