মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের তিন নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত করেরহাট ইউনিয়নের ভালুকিয়া গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হোসেন ও পশ্চিম জোয়ার গ্রামের বাসিন্দা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিমের বসতঘর ভাংচুর করা হয়। হামলা ও ভাংচুরের সময় দুর্বৃত্তদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করায় কামরুলের মা রাশেদা আক্তার (৬০) ও তার মামা আইনুল কবিরকে পিটিয়ে আহত করে।
জানা যায়, কামরুল হোসেনের ঘরের সাতটি কক্ষ, রান্না ঘর ও তিনটি বাথরুমে থাকা সব ধরণের আসবারপত্র ভাংচুর করে তছনছ করে দিয়েছে। ঘরের আলমারির দরজা ভেঙ্গে কাপড়চোপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছে। এসময় এক জোড়া স্বর্ণের চুুড়ি, দুইটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। ঘটনার পর কামরুলের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভয়ে আত্মীয়স্বাজনের বাড়িতে চলে গেছে। নয়নের ঘরের একটি কক্ষ ও জসিমের ঘরের তিনটি কক্ষে হামলা চালিয়ে সব আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়।
আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল হোসেনের ভাই তানভীর হোসেন জানান, সোমবার দেড়টার দিকে প্রথমে চারটি মোটরসাইকেল ও দুইটি সিএনজি অটোরিকসা নিয়ে ১৮-২০ জনের দুর্বৃত্তের দল বাড়ির প্রধান ফটক টপকে বাড়িতে প্রবেশ করে। এদের সবার মাথায় হেলমেট মুখে মাস্ক পড়া ছিল। এসময় আমার মা রাশেদা আক্তার ও মেঝ ভাইয়ের স্ত্রী রান্নার কাজে সহযোগীতা করছিলেন। মুহুর্তের মধ্যে দুর্বৃত্তরা ঘরে ডুকে ভাংচুর শুরু করে। ঘরের সব ধরণের আসবাবপত্র ও আলমারি ভাংচুর করে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে আমার ভাই কামরুল হোসেন বাড়িতে থাকেন না।
পশ্চিম জোয়ার গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাসিন্দা জানান, জুলাই আন্দোলনে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন ও করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম বাড়িতে থাকেন না। সোমবার দুপুরে ১৮-২০ জনের একটি দল বাড়িতে এসে তাদের ঘরে ভাংচুর চালিয়ে সব কিছু তছনছ করে দেয়।
ভালুকিয়া গ্রামের রুহুল আমিন নামে এক বৃদ্ধ জানান, তারা গ্রামের মসজিদে নামাজ পড়ছিলেন। এসময় কামরুল হোসেনের বাড়িতে শোর চিৎকার শুনে মসজিদ থেকে আমরা গ্রামের লোকজন সেখানে গিয়ে দেখি ঘরের সব ভাংচুর করছে। কারা ভাংচুর করেছে সেটা জানেন না।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম জানান, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা তিনি জেনেছেন। কিন্তু লুটপাটের বিষয়টি ঠিক নয়। তবে হামলার ঘটনা নিয়ে থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেননি।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







