মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, গত দুই মাসে ২২০ শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে সরকারি হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি হাসপাতালেও এই রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। চিকিৎসকদের দাবি, অসচেতনতায় শিশুদের ডায়রিয়া বাড়ছে।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে ১৮৮ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ১০০ জনই শিশু। ১-২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২৫২ জন ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তার মধ্যে ১২ জন শিশু। গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে নিয়মিত দুই শতাধিক ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। কিন্তু মে, জুন ও জুলাই মাসে অনেকটা কমে যায়। আগস্ট মাসে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ফলে আগস্টের পর থেকে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ডায়রিয়া রোগী বাড়তে থাকে।
চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু রোগী বন্যার কারণে বাড়লেও শিশুদের ডায়রিয়া হচ্ছে মূলত মায়ের অসচেতনতার কারণে। মায়েরা ময়লা হাতে শিশুদের খাবার খাওয়ান। অনেক সময় শিশুর হাত পরিষ্কার না করে খাবার দেওয়া হয়। এছাড়া পুকুরের পানিতে রান্না করা হয় খাবার।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স ইনর্চাজ সীমা রানী নাথ বলেন, মায়ের অসচেতনতায় শিশুদের ডায়রিয়া বাড়ছে। শিশুর ডায়রিয়া হলে যে পরিমাণ চিকিৎসা ও সেবা নিতে হয় মায়েরা তা করেন না। এছাড়া পুকুরের পানি ব্যবহারের কারণে ডায়রিয়া হতে পারে। আমরা সব সময় মায়েদের সচেতন হতে পরামর্শ দেই।
এ বিষয়ে জানতে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো মিনহাজ উদ্দিনের মোবাইল কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।
—








