এশিয়া কাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে জ্বলে উঠল বাংলাদেশ। মিরাজ-শান্তর জোড়া সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছে টাইগাররা। জিততে হলে রীতিমতো বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে আফগানিস্তানকে।
টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রান করেছে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো উদ্বোধনী জুটিতে খেলতে নামেন মিরাজ। উদ্বোধনীতে নেমেই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিলেন।
মুজিবকে ইনসাইড-আউটে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে দারুণ একটি ছক্কা মেরেছিলেন মিরাজ। তবে এরপরই গ্লাভস খুলে ফেলেন। আঙুলে ক্র্যাম্প হয়েছে, দেখে মনে হয়েছে সেটি। ফিজিওর সঙ্গে এরপর উঠেই গেছেন মিরাজ।
মিরাজ উঠে গেলেন ১১৯ বলে ১১২ রান করে, যাতে ৭টি চারের সঙ্গে ছিল ৩টি ছক্কা। আগের ম্যাচে মিরাজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হতে গিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন। এবার রানআউট হয়েই থামতে হলো নাজমুলকে।
রিভার্স সুইপ করেই দৌড় শুরু করেছিলেন, তবে ফিল্ডারের কাছে সরাসরি যাওয়াতে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে পিছলে পড়ে যান, ক্রিজে আর ফেরা হয়নি তার। ১০৫ বলে ১০৪ রানের দারুণ ইনিংস থেমেছে সেখানেই। শেষ দিকে তাণ্ডব চালিয়েছেন সাকিব-মুশফিক। ১৫ বলে ২৫ রান করেছেন মুশফিক। সাকিব করেছেন ১৮ বলে ৩২ রান।
এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি এখন মিরাজ ও নাজমুলের
মিরাজ ও নাজমুলের জুটিতে উঠেছে ১৯৪ রান। এশিয়া কেপা যেটি বাংলাদেশের যে কোনো উইকেটেই সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ছিল ইমরুল কায়েস ও জুনাইদ সিদ্দিকের ১৬০, ডাম্বুলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১০ সালে।
এলোমেলো পজিশনে নেমে তৌহিদের বিদায়
বাংলাদেশ দলের এই মুহূর্তের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ভরসা যাকে ধরা হয় সেই তৌহিদ হৃদয়কে নামানো হল তিন নম্বর পজিশনে। আর এসেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নিলেন। হৃদয় ফিরলেন শূন্য রানেই।
নাঈমের বিদায়
বাংলাদেশ ভালো শুরু এনে দিয়ে ফিরলেন নাঈম শেখ। যদিও ব্যাটিংয়ের ধরন দেখে মনে হচ্ছিল বড় ইনিংস খেলবেন নাঈম। কিন্তু সেটি হল না। এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ইনিংস থেমেছে ৩২ বলে ২৮ রান করে। মুজিবের বল বুঝতেই পারেননি নাঈম। ফলশ্রুতিতে বোল্ড হয়ে ফিরলেন তিনি।








