যে মেয়েটা একটু আদর চায়, তাকে আদর দিন। যে জ্ঞানের কথা শুনতে ভালোবাসে, তার সঙ্গে সেই ভাষাতেই কথা বলুন। যে কবিতা পছন্দ করে, তাকে আবৃত্তি করতে বলুন। সে খুব নিখুঁত আবৃত্তি না করলেও সমস্যা নেই—তার কণ্ঠের প্রশংসা করুন। বলুন, তোমার গলাতেই আলাদা একটা মায়া আছে, চেষ্টায় সামনে আরও সুন্দর হবে।
একজন মানুষকে যদি সম্মান দেন, গুরুত্ব দেন, সুন্দর মুহূর্ত উপহার দেন—সে কেন থাকবে না? মেয়েরা অনেক সময় কনফিউজড থাকে, মুড সুইং হয়, নানা শারীরিক-মানসিক সমস্যা আসে—হরমোন, পিরিয়ড, এসব কারণেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সবাই ভালোবাসা আর মায়াই চায়।
নরম স্বরে, আদুরে ভঙ্গিতে কথা বললে সবচেয়ে জেদি মেয়েটাও আপনার কথা শুনবে। আর যদি আদেশের সুরে, ছোট করে কথা বলেন—তাহলে সে একেবারেই কান দেবে না। যাকে ভালোবাসেন, তাকে যত্নে রাখুন। তাতেই সম্পর্কের ভেতর শান্তি আসে।
অর্থবহ সম্পর্ক ছাড়া অর্থবহ জীবন হয় না। জীবন মানে শুধু বড় সোফা, দামী টেবিল, বিশাল খাট বা বড় টিভি নয়। এগুলো কারও দরকার হতে পারে, কারও নাও হতে পারে। যার যা প্রয়োজন, সে সেটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুক—এটাই স্বাভাবিক।
আমি জ্ঞান দিতে বসতে চাই না। আজ এতটুকুই থাক। আপনাদের জন্য ভালোবাসা রইল। মন খুলে আপনার প্রিয় মানুষের প্রশংসা করুন—না হলে যে কোনো দিন তার হাতের রান্না করা খাবার বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
-Aklima Akter








