Friday, October 23, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home মতামত

মোসাদের গুপ্তচর এলি কোহেনের জীবন, অভিযান ও ফাঁসি

সর্বত্রই বুঝি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মোসাদের গুপ্তচরেরা।

admin by admin
January 7, 2022
in মতামত, সাংবাদিক/মিডিয়া
Reading Time: 1 min read
0 0
A A
0
মোসাদের গুপ্তচর এলি কোহেনের জীবন, অভিযান ও ফাঁসি
0
SHARES
53
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

কোথায় যে ওত পেতে আছে আর গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছে মোসাদের গুপ্তচরেরা তা বলা খুবই মুশকিল। এ নিয়ে একপ্রকার ‘মিথ’ই আছে—আপনি ঘরে কী দিয়ে ভাত খান তাও জানে মোসাদ। পৃথিবীর সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত গোপনে সংগ্রহ করে মোসাদ। মোসাদ হচ্ছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম। যাদের কার্যক্রম দেখে আপনার মনে হতে পারে, পৃথিবীর শিরা-উপশিরার সর্বত্রই বুঝি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মোসাদের গুপ্তচরেরা।

সাল ১৯৬৭। শুরু হয়ে গেছে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ—যা ছয় দিনের যুদ্ধ বা তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ নামেও পরিচিত। ১৯৬৭ সালের ৫ জুন সিনাই উপদ্বীপে মিশরীয় সেনাবাহিনীর বিমানক্ষেত্রে ইসরায়েলের অতর্কিত হামলা এ যুদ্ধের সূচনা করে—যা চলে ১০ জুন পর্যন্ত। একপাশে ইসরায়েল, বিপরীত পক্ষে মিশর, জর্ডান আর সিরিয়া। কিন্তু ছোট্ট এবং নতুন রাষ্ট্র ইসরায়েলকে কিছুতেই ধরাশায়ী করতে পারছে না আরব ব্লক। এর প্রধান কারণগুলোর অন্যতম বড় কারণ মোসাদ। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদই যুদ্ধের ফলাফল তৈরিতে ও ইসরায়েলকে যুদ্ধে জয়ী হতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। আর গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান শক্তি তাদের গুপ্তচরেরা।

সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখলে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে এলি কোহেনের সংগৃহীত গোপন তথ্যাবলি। এলি কোহেন—যিনি ছিলেন একজন ইসরায়েলি গুপ্তচর। তাকে ইসরায়েলের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তার নামে নামকরণ করা হয় ইসরায়েলের রাস্তাঘাট, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। আজ থাকছে দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের খ্যাতিমান গুপ্তচর এলি কোহেনের জীবন কাহিনী—তার মোসাদে যোগদান, গোপন অভিযান ও ধরা পড়ার পর ফাঁসিসহ বিবিধ প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আলোকপাত।

তেল আবিবে মোসাদের হেড কোয়ার্টার

এলিয়াহু বেন-শওল কোহেনের জন্ম ২৬ ডিসেম্বর ১৯২৪। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন ১৮ মে ১৯৬৫। সিরিয়াতে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য কোহেন সমধিক পরিচিত, যেখানে ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ও সামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু সিরিয়ার কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স অবশেষে তার গোয়েন্দা কার্যক্রম উন্মোচিত করে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে দোষী সাব্যস্ত করার মাধ্যমে সামরিক আইনে ১৯৬৫ সালে তার ফাঁসির দণ্ডাদেশ কার্যকর করে। ধারণা করা হয়, গ্রেপ্তারের আগে কোহেনের জোগাড় করা গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যগুলো ইসরায়েলকে ছয় দিনের যুদ্ধে সাফল্য এনে দিয়েছিল।

প্রারম্ভিক জীবন
১৯২৪ সালে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে এক ধর্মপ্রাণ জায়নবাদী ইহুদি পরিবারে এলি কোহেনের জন্ম হয়। তার পিতা ১৯১৪ সালে সিরিয়ার আলেপ্পো শহর ছেড়ে মিশরে এসেছিলেন। এলি কোহেন ১৯৪৭ সালের দিকে মিশরের সেনাবাহিনীতে দাপ্তরিক কাজে যোগ দেন, কিন্তু আনুগত্যের প্রশ্নে সন্দেহভাজন মনে হওয়ায় সেনাবাহিনীতে অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। ইহুদি হওয়ার কারণে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্যদের দ্বারা হয়রানির শিকার হয়ে কোহেন পরের বছর ১৯৪৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে নিজ ঘরে অধ্যয়নের সিদ্ধান্ত নেন।

সেই বছরই—১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর অনেক ইহুদি পরিবার মিশর ছেড়ে দেশান্তরিত হয়ে ইসরায়েলে যেতে শুরু করে। কোহেনের পিতা-মাতাও ১৯৪৯ সালে ইসরায়েলে পাড়ি জমায়। কিন্তু ইলেকট্রনিক্সের ওপর ডিগ্রি শেষ না হওয়ায় এবং মিশরের ইহুদিদের সাহায্য ও জায়নবাদী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোহেন মিশরে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর দু বছর পর ১৯৫১ সালে মিশরে সামরিক অভ্যুত্থানের সময় সারা দেশে জায়নবাদ-বিরোধী অভিযান শুরু হলে এলি কোহেন গ্রেপ্তার হন এবং তার জায়নবাদী কার্যক্রমের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন করা হয়। ১৯৫০-এর দিকে মিশরে থাকাকালীন এলি কোহেন মোসাদের গোপন—গোশান অভিযানে জড়িত ছিলেন, যে অভিযানের উদ্দেশ্য অত্যাচারের শিকার সংখ্যালঘু মিশরীয় ইহুদিদের মিশর থেকে বের করে ইসরায়েলে স্থানান্তর। দোষী সাব্যস্ত করলেও মিশরীয় কর্তৃপক্ষ মোসাদের এই গোপন অভিযানে কোহেনের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি সৈন্যদের হাতে আটক মিশরীয় যোদ্ধারা

এছাড়া, মিশরের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পর্ক খারাপ করার জন্য মোসাদ মিশরীয়-ইহুদিদের ব্যবহার করে ১৯৫৪ সালে যে আত্মঘাতী সুসান অভিযান পরিচালনা করে, সেখানেও কোহেনের নাম জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করা হয়। যদিও এক্ষেত্রেও মিশরীয় কর্তৃপক্ষ অভিযানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের সাথে কোহেনের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ উদ্ধার করতে পারেনি।

পরবর্তী সময়ে ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকট নামক দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে মিশরের সরকার ইহুদিদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং অনেক ইহুদির নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে। সেইসময় এলি কোহেনকেও মিশর ছাড়তে বাধ্য করা হয়। সেইসময় ইহুদি সংস্থার সহায়তায় ইতালির নেপলস শহর দিয়ে হাইফা বন্দর দিয়ে কোহেন অবশেষে ইসরায়েলে ঢোকেন। ১৯৫৭ সালে কর্মস্থল হিসেবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে তিনি যোগ দেন এবং ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা শাখায় কাউন্টার-ইন্ট্যালিজেন্স অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

অল্প কিছুদিন পর এই কাজে আগ্রহ হারিয়ে কোহেন বরং মোসাদে ঢোকার চেষ্টা করেন। কিন্তু মোসাদ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে হতাশ কোহেন সামরিক বাহিনী থেকেও ইস্তফা নেন। পরের দু বছর তেল আবিবের একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কেরানী হিসেবে চাকরি করেন। ১৯৫৯ সালে কোহেন উদারপন্থী লেখক সামি মাইকেলের বোন নাদিয়া মাজাল্ডকে বিয়ে করেন। নাদিয়ার সাথে এলি কোহেনের সোফি, ইরিত ও শাই নামের তিন সন্তান।

পরিবারের সাথে এলি কোহেন

মোসাদে যোগদান
তৎকালীন মোসাদ প্রধান মেইর আমিত বিশেষ কাউকে খুঁজছিলেন, যিনি সিরিয়ার সরকারি কাজে গুপ্তপ্রবেশ করে সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য মোসাদকে জোগাড় করে দেবেন। এই গোপন গোয়েন্দা অভিযানের জন্য বাহিনীর কাউকে উপযুক্ত মনে না হওয়ায় মেইর আমিত পুরনো ফাইল ঘেঁটে বাতিল হওয়া মোসাদে চাকরিপ্রার্থীদের প্রোফাইল দেখতে শুরু করেন। খুঁজে পান এলি কোহেনকে। তবে এই বিশেষ অভিযানের জন্য কোহেন আসলেই উপযুক্ত কিনা তা যাচাইয়ে প্রায় দু সপ্তাহ তাকে নজরদারি এবং প্রাক-প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে যেতে হয়। সবকিছু ঠিক মনে হওয়ার পর কোহেনকে জানানো হয় তিনি এই অভিযানের জন্য উপযুক্ত এবং তাকে পরবর্তী ছয় মাস মোসাদের নিজস্ব ট্রেনিং স্কুলে যেতে হবে। ট্রেনিং শেষে স্নাতক রিপোর্ট তাকে ‘কাত্সা’ বা ‘ফিল্ড এজেন্ট’ হওয়ার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত বলে বিবেচিত করে।

প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর গোপন মিশনের জন্য ‘আর্জেন্টিনা ফেরত প্রবাসী সিরিয়ান ব্যবসায়ী’ হিসেবে তাকে একটি ভুয়া পরিচয় দেওয়া হয়। এমনকি এই ভুয়া ব্যবসায়ী পরিচয়টিকে নিখুঁত বানানোর জন্য ১৯৬১ সালে তাকে আর্জেন্টিনায়ও পাঠানো হয়।

সিরিয়ার দামেস্কে সফর, অনুপ্রবেশ ও আস্থা তৈরি
কোহেন ১৯৬২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘কামেল আমিন থাবেত’ ছদ্মনামে সিরিয়ার দামেস্কে স্থানান্তরিত হন। কিভাবে কোন কৌশলে কোহেন সিরিয়ার উচ্চপদস্থ রাজনীতিবিদ, সেনাকর্মকর্তা, প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় কূটনীতিক সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন, সেসবের সার্বিক রূপরেখা তৈরি করে দেয় মোসাদ।

আর্জেন্টিনার বিভিন্ন ক্যাফেতে রাজনৈতিক গল্প শোনার মাধ্যমে কোহেন নিজের সামাজিক জীবন অব্যাহত রাখতেন। নিজ ফ্ল্যাটে প্রায়সময় পার্টি আয়োজন করতেন। উচ্চপদস্থ সিরিয়ান মন্ত্রী, ব্যবসায়ী এবং সিরিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মূলত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুন্দরী নারী, বিমানবালা এবং উদীয়মান সংগীত তারকাদের নিয়ে সময় কাটাতে কোহেনের ফ্ল্যাটে যেতেন। এই ধরনের পার্টিতে সিরীয় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই তাদের সার্বিক কর্মকাণ্ড ও সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে অবাধে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতেন। এলি কোহেন সেই সমস্ত বৈঠকে মাতাল সেজে আলোচনার সবটাই খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতেন।

সিরিয়ার সরকারি কর্মকর্তাদের ঋণও দিতেন কোহেন। ফলে ক্রমশ বিশ্বাসভাজন হয়ে ওঠা কোহেনের কাছ থেকে রাজনৈতিক পরামর্শও চাইতে শুরু করেন সিরিয়ান কর্মকর্তারা। নারী সংক্রান্ত ব্যাপারেও কোহেন দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। সিরিয়াতে তিনি প্রায় ১৭ জন নারীর সাথে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন—যাদের বেশিরভাগই সমৃদ্ধশালী পরিবার থেকে উঠে আসা। ধারণা করা হয়, তৎকালীন সিরিয়ার প্রভাবশালী সেনাকর্মকর্তা ও বাথ পার্টির সদস্য আমিন আল-হাফিজের সাথেও কোহেনের সুসম্পর্ক ছিল।

সিরিয়ান প্রেসিডেন্ট আমিন আল-হাফিজের সাথে এলি কোহেন

যদিও ২০০১ সালে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমিন আল-হাফিজ—কোহেনের সাথে তার সম্পর্কের ব্যাপারটি অস্বীকার করেন। স্বপক্ষ যুক্তি হিসাবে হাফিজ বলেন, ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি মস্কোতে ছিলেন। তাই কোহেনের সাথে তার এই ধরনের সম্পর্কের প্রসঙ্গ পুরোপুরি অবান্তর। বলা হয়ে থাকে, হাফিজের শাসনামলে কোহেনকে এমনকি সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বানানোরও কথা ছিল।

গোপন তথ্য সংগ্রহ
১৯৬১ সাল থেকে ১৯৬৫—এই চার বছরে কোহেন ব্যাপক পরিসরে গোয়েন্দা তথ্য ইসরায়েলে পাচার করেন। রেডিও, সাংকেতিক চিঠি এমনকি গোপনে স্বশরীরে তিনবার ইসরায়েলে গিয়েও তিনি তথ্য সরবরাহ করেছেন। তার গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা-কৃতিত্বগুলোর একটি ছিল গোলান মালভূমিতে সফর। যেখানে কোহেন সিরিয়ান সামরিক দুর্গগুলোকে চিহ্নিত করে সেসব স্থানসমূহের স্পর্শকাতর তথ্য ইসরায়েলে প্রেরণ করেছিলেন। তখন সিরিয়ান সেনাদের প্রতি কপট-সহানুভূতি দেখিয়ে প্রখর রোদে তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য কোহেন সেনাদের প্রতিটি অবস্থানে গাছ লাগিয়ে আসেন। এই গাছগুলোই ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলিদের কাছে সিরিয়ান সেনাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়। ইসরায়েলের সেনারা কেবল গাছ লক্ষ্য করেই সিরিয়ান সেনাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। যুদ্ধে মাত্র দুই দিনেই ইসরায়েল—সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয়। এছাড়াও সিরিয়ার দক্ষিণ সীমান্ত অঞ্চলে বেশ কয়েকবার সফর করে কোহেন সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে স্পর্শকাতর ছবি ও স্কেচ মোসাদের হাতে তুলে দেন।

প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সুন্দরী নারীদের নিয়ে সময় কাটাতে কোহেনের ফ্ল্যাটে যেতেন

কোহেন—মর্টার আর পরিধি নিয়ে তিনটি লাইন তৈরির ব্যাপারে সিরিয়ানদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পরিকল্পনাও জেনে ফেলেন। অথচ এর আগে ইসরায়েল সেনাবাহিনী শুধু একটি লাইন নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

আসল পরিচয় উন্মোচন ও গ্রেপ্তার
নতুন নিযুক্ত সিরিয়ান গোয়েন্দা উপদেষ্টা কর্নেল আহমেদ সু’এদানি কাউকেই বিশ্বাস করতেন না এবং ব্যক্তিগতভাবে তিনি কামেল আমিন থাবেতকে (কোহেন) অপছন্দ করতেন। এ পর্যায়ে কোহেন তার পরিচয় উন্মোচিত হবার আশঙ্কায় পড়েন। ১৯৬৪ সালের নভেম্বরে কোহেন যখন তথ্য পাচার করতে এবং নিজের তৃতীয় সন্তানকে দেখতে গোপনে ইসরায়েলে যান, তখন তিনি তার এই উদ্বেগের কথা মোসাদের কাছে প্রকাশ করেন। তা সত্ত্বেও, মোসাদ শেষবারের মতো কোহেনকে সিরিয়ায় যেতে প্ররোচিত করে। সিরিয়ায় যাওয়ার আগে কোহেন তার স্ত্রীকে এই বলে আশ্বস্ত করেন—এটাই সিরিয়ায় তার শেষ সফর, এরপর তিনি পাকাপাকিভাবে ইসরায়েলে ফিরে আসবেন।

১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে সিরিয়ান কর্তৃপক্ষ গোয়েন্দা তথ্যচুরি উদঘাটনে বেশ তৎপর হয়ে ওঠে। গোপনে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আসে যারা সোভিয়েতের বানানো বিভিন্ন শনাক্তকরণ যন্ত্র ও প্রযুক্তির সাহায্যে সিরিয়া থেকে বাইরে পাঠানো রেডিও সংকেত পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। সিগন্যাল ট্রান্সমিশন পর্যবেক্ষণের পর সিরিয়ার বাইরে যাওয়া রেডিও সংকেতের উৎস খুঁজে বের করা হয় এবং ২৪ জানুয়ারি সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী কোহেনের অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে রেডিও সংকেত পাঠানো অবস্থায় হাতেনাতে তাকে গ্রেপ্তার করে।

২৪ জানুয়ারি ১৯৬৫ তাকে হাতেনাতে তাকে গ্রেপ্তার করে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী

বিচার ও মৃত্যুদণ্ড
সামরিক আইনে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধে এলি কোহেন দোষী সাব্যস্ত হন এবং বিচারে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রিমান্ডে তাকে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ ও অত্যাচার করা হয়েছিল। কোহেনের প্রতি সহানুভূতি আদায় করে এই বিচার রুখতে ইসরায়েল সেইসময় একটি আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযান শুরু করে। কোহেনকে ফাঁসির সিদ্ধান্ত থেকে দামেস্ককে সরিয়ে আনতে ইসরায়েলের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন) গোল্ডা মেয়ার এই আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযানের নেতৃত্ব দেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা, প্রধানমন্ত্রীরা এমনকি পোপ পল ষষ্ঠও এই বিচারে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেন। গোল্ডা মেয়ার এই বিচারের বিরুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছেও আবেদন জানান। নানা আন্তর্জাতিক আবেদন এবং ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও কানাডার প্রতিনিধিদের অনেক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সিরিয়ান সরকারকে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে টলানো যায়নি।

১৯৬৫ সালের ১৮ মে মাজরেহ স্কয়ারে জনসম্মুখে কোহেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসির দিনে কোহেন একজন রাবাইয়ের (ইহুদি পুরোহিত) সাথে সাক্ষাতের শেষ ইচ্ছা পোষণ করেন। ট্রাকে করে মাজরেহ স্কয়ারে ফাঁসির জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় সিরিয়ার প্রবীণ প্রধান ইহুদি পুরোহিত রাবাই নিসিন আন্দাবো শেষ যাত্রায় তাকে সঙ্গ দেন।

জনসম্মুখে কোহেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়

সমাধি ও শবদেহ
১৯৬৫ সালের নভেম্বর মাসে কোহেনের স্ত্রী নাদিয়া তার স্বামী এলি কোহেনের কৃতকার্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে সিরিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হাফেজ আল-আসাদকে একটি চিঠিতে কোহেনের শবদেহ ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। ২০০৭ সালে তুরস্ক একবার মধ্যস্থতার কথা বলে কোহেনের মৃতদেহ সিরিয়া থেকে ইসরায়েলে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে হাফেজ আল-আসাদের প্রাক্তন ব্যুরো প্রধান মনসির মাওসিলি জানিয়ে দেন, কোহেনের মৃতদেহ ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়, কেননা কোথায় তাকে কবর দেওয়া হয়েছিল সেটা এখনো অজানা।

মোসাদ যাতে গোপন মিশনের মাধ্যমে কোহেনের শবদেহ ইসরায়েলে নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য সিরিয়ানরা অবস্থান পরিবর্তন করে অন্তত তিন জায়গায় কোহেনকে কবর দিয়েছিল।

২০১৮ সালে ৫ জুলাই কোহেনের হাতঘড়ি উদ্ধার হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। এলির স্ত্রী জানান, বিক্রির সময় কোহেনের ঘড়িটি মোসাদ কিনে ফেলে। পরে মোসাদের প্রধান জোসি কোহেন—এলির ঘড়িটি তার পরিবারের কাছে পেশ করেন। ঘড়িটি বর্তমানে মোসাদের হেডকোয়ার্টারে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে।

এলি কোহেনের ঘড়ি

জাতীয় বীর উপাধি ও পপুলার কালচারে এলি কোহেন
মৃত্যুর পর থেকে কোহেন ইসরায়েলে জাতীয় বীর হিসেবে পরিচিতি পেতে থাকেন। ইসরায়েলের অনেক রাস্তা এবং এলাকা তার নামে রাখা হয়। ১৯৭৭ সালে কোহেনের পুত্রের বার মিতজাহ (১২ এবং ১৩ বছর বয়সে ইহুদি ছেলে-মেয়েদের জন্য আয়োজিত একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান) অনুষ্ঠানে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন, সেনাবাহিনীর প্রধান মোরদেশাই গুরসহ মোসাদের আরো অনেক কর্মকর্তারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জেরুজালেমের মাউন্ট হার্জেলে নিখোঁজ সৈনিকদের বাগানে এলি কোহেনের স্মৃতির উদ্দেশে একটি স্মারক নির্মিত হয়েছে।

দ্য ইম্পসিবল স্পাই চলচ্চিত্রটি কোহেনের জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। নেটফ্লিক্সের ‘দ্য স্পাই’ নামক একটি টিভি সিরিজে অভিনেতা সাশা ব্যারন কোহেন এলি কোহেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

Views: 907

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা

হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা

by admin
October 23, 2026
0
10

♦️আমি ব্যক্তিগত ভাবে হিন্দুদের পুজোর মধ্যে যাওয়াকে একদম পছন্দ করিনা এবং কখনো যাবোনা। তবে হ্যা চার্চে অনেকবার গেছি ক্রিস্টমাসের প্রোগ্রামে।...

চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় মুগ্ধ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ’

চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় মুগ্ধ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ’

by admin
October 23, 2026
0
28

  এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম "চিত্রনায়ক দেবের ‘ভজগৌরাঙ্গের নাম রে’ গানের তালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উচ্ছ্বাস তাকে মুগ্ধ করেছে। আগামীবার এ...

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ?

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ?

by admin
October 22, 2026
0
13

কাজী মামুনুর রহমান মাহিম সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ প্রকাশের কাজ নয়; অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য তুলে ধরার...

অনলাইন ক্যাসিনোর মায়াজালে শিশুরা: বিপন্ন শৈশব, উদ্বিগ্ন অভিভাবক

অনলাইন ক্যাসিনোর মায়াজালে শিশুরা: বিপন্ন শৈশব, উদ্বিগ্ন অভিভাবক

by admin
October 22, 2026
0
7

  আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার সুযোগে নতুন এক সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়া। আর...

সমাজ ও সংসার পরিবর্তনে অবিনাশী কলম এবং লেখকের দায়বদ্ধতা

সমাজ ও সংসার পরিবর্তনে অবিনাশী কলম এবং লেখকের দায়বদ্ধতা

by admin
October 22, 2026
0
11

  ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, পৃথিবীতে যত বড় বড় পরিবর্তন বা বিপ্লব এসেছে, তার পেছনে কোনো না কোনো মহান...

আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী

আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী

by admin
October 22, 2026
0
18

  আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী মোঃ নুরুন্নবী পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার আতাইকুলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন October 23, 2026
  • ঋণ পরিশোধে মহানবী (সা.) যে দোয়া শিখিয়েছেন October 23, 2026
  • বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.) October 23, 2026
  • আমার স্ত্রী কক্সবাজার থেকে একা ঢাকা ফিরে গেছে। ভোর ছয়টার বাসে। October 23, 2026
  • কোথাও কেউ ভালো না৷ যারা ভাব্বেন সামরিক বাহিনীর লোকজন ভালো৷ তাদের জন্য উক্ত রিপোর্ট 🐸🌚 October 23, 2026
  • দৌলতদিয়া পতিতা-দের কাছে যারা যায়, তাদের কে কোথায় কবর দেওয়া হয়?? October 23, 2026
  • একজন মেয়ের সঙ্গে কতবার মিলন করার পর মেয়েটি গর্ভবতী হয়? October 23, 2026
  • অর্ধনগ্না হেনরোচরাও মাসে বহুলাখ টাকা খরচ করে : October 23, 2026
  • হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা October 23, 2026
  • সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ হওয়া সুইটি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর October 23, 2026
  • নিউইয়র্কের বাফেলোতে আইসের অভিযানে গ্রেফতার সাংস্কৃতিক সংগঠক এনাম October 23, 2026
  • চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় মুগ্ধ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ October 23, 2026
  • রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আর নেই October 23, 2026
  • মিরসরাইয়ে পাহাড়ধসে সন্তানহারা পরিবারের পাশে ফজলুল মুরাদ, স্থাপন করলেন নলকূপ October 23, 2026
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধপরিকর-নুরুল আমিন এমপি October 23, 2026
  • ২২৭ কিমি গতিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন ‘চাম্পি’ October 23, 2026
  • নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম রমিজ উদ্দিন ফকিরে ৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত October 23, 2026
  • এনজিওতে নতুনদের চাকরি সুযোগ October 22, 2026
  • ভারতীয় ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর October 22, 2026
  • সৌদির বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, হতাহত ৯ October 22, 2026
  • বাংলাদেশিদের জন্য বিনা খরচে ফ্রান্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি, যেভাবে আবেদন করবেন October 22, 2026
  • বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান: নিক্কেই এশিয়া October 22, 2026
  • চাঁদাবাজি মামলায় ছাত্রদল আহ্বায়ক নয়ন গ্রেপ্তার October 22, 2026
  • সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার সেনাবাহিনী ও পুলিশের October 22, 2026
  • সব অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশ সরকারের October 22, 2026
  • রিয়াদ ও দাম্মামগামী বিমানের ফ্লাইট স্থগিত October 22, 2026
  • সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ীতে জামায়াতের মতবিনিময় সভা October 22, 2026
  • রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ ঘন্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ October 22, 2026
  • সুন্দরগঞ্জে সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযুক্ত গ্রেফতার October 22, 2026
  • উত্তরাঞ্চলে আগাম জাতের আমন ধানে কৃষকের মুখে হাসি October 22, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন

      সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন

      October 23, 2026

      ঋণ পরিশোধে মহানবী (সা.) যে দোয়া শিখিয়েছেন

      October 23, 2026
      বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.)

      বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.)

      October 23, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d