রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: আল্লায় দেচে কপির ভালোয় ফলন হইছে। প্রত্যেক বছর শীতের সময় ফুলকপির আবাদ করি। কোনো লোকসান নাই। খরচপাতির তুলনায় ভালোয় লাভ হয়। গত বছর কপি থাকি হাজার দশেক টাকা আসছে। এবার সারের দাম বাড়াতে খরচ একনা বেশি পড়ছে। তারপরও ফলন দেখি মনে হওচে ভালো লাভ হইবে। ফুলকপির ক্ষেত পরিচর্যা করার সময় লাভের আশায় উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে নিজের অনুভূতির কথা এভাবেই জানান কৃষক নুরুল মিয়া। চলতি মৌসুমে বিভিন্ন জাতের সবজির পাশাপাশি ফুলকপির চাষ করে ফলন ভালো হওয়াতে খুশি নুরুল মিয়া। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চৈত্রকোল ইউনিয়নের ঝাড়বিশলা গ্রামের কৃষক নুরুল মিয়া । চলতি মৌসুমে ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ফুলকপি চাষ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মতো বীজ বপনের পাশাপাশি সুষম সার ব্যবহারের কারণে পীরগঞ্জ উপজেলায় ফুলকপির ফলন ভালো হয়েছে। উপজেলায় উৎপাদিত ফুলকপি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ অঞ্চলের চাষিরা তাদের উৎপাদিত সবজি বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শীত মৌসুমে সবজির চাহিদা বেশি হওয়াতে বাজার দরও ভালো পাচ্ছে তারা। উপজেলার চৈত্রকোল ইউনিয়নের ঝাড়বিশলা গ্রামের আরেক কৃষক আমির হামজা বলেন, সবাইতো লাভের আশায় চাষাবাদ করে। ফুলকপিতে কোনো লোকসানের ঝুঁকি নেই। শুধু শীতকালেই নয়, এ সবজি সারা বছরে উৎপাদন করা যায়। তবে আমাদের এলাকায় শীতের সময়ে বেশি চাষ হয়ে থাকে। এ বছর প্রায় ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৫ শতাংশ জমিতে চমক জাতের হাইব্রিড ফুলকপি চাষ করা হয়েছে। রংপুরের পাইকারি বাজারগুলোতে ফুলকপি প্রতি মণ ১০০০-১১৫০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে রকমারি শীতকালীন সবজির চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামান সরকার বলেন, এ অঞ্চলের ফুলকপি চাষিরা অত্যন্ত পরিশ্রমি ফসল উৎপাদনে তাদের মধ্যে অলসতা নেই। উপজেলা কৃষি বিভাগের লোকজন চাষিদের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







