রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে তিস্তার নদীর পানি বাড়ছে। বৃষ্টি আর উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধিতে রংপুর, নীলফামারী, দিনাজপুর, কুড়িগ্রামে তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ছিন্নমুল মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে। লক্ষ্মীটারি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহেল হাদী বলেন, হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি। ভারতের উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, কাউনিয়ার একটি পয়েন্টের নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার দশমিক ৬৩ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টা ও সকাল ৯টায় এ পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার ও ৫১ দশমিক ৪৮ সেন্টিমিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পানি শুক্রবার রাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে পানি প্রবাহ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে রাত নাগাদ আবারও দেখা দিতে পারে তিস্তায় বন্যা। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বেড়েছে। তবে ৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়া কমার মধ্যে থাকবে। পানি বাড়লে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। বন্যা মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরের অনেক বসতবাড়িতে পানি উঠার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া ফসলের জমি পানিতে ডুবে গিয়ে ফসলহানির শঙ্কায় চিন্তিত কৃষকরা। পানি বাড়ার ফলে গবাদি পশুপাখি নিয়েও বিপাকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারি এলাকার রমজান আলী বলেন, রাতে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রংপুর মহানগরের নিচু এলাকার ঘরবাড়ীতে পানি প্রবেশ করেছে। মহানগরের নিউ আদর্শপাড়ার আফিয়া সুলতানা বলেন বাসাবাড়ীতে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করেছে। ফলে আসবাবপত্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, নদী ভাঙনের সংবাদ এখনো পাইনি তবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







