রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশায় আছন্ন জনপদ। গত এক সপ্তাহ ধরে উত্তরের আকাশে দেখা মিলছে না সূর্যের। হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর ঝড়ছে কুয়াশার শিশির। শৈত্যপ্রবাহে শীতজনিত রোগির সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও খেটেখাওয়া মানুষ। তারা শীত নিবারণের জন্য রংপুর নগরীসহ জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে ফুটপাতে বেশ জমে উঠেছে পুরনো গরম কাপড়ের বাজার। অভিজাত কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভিড় বাড়ছে ক্রেতাদের। এতে যেমন গরম কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে, ঠিক তেমনি দোকানগুলোতে বিক্রয় বেড়েছে। দরিদ্র, শ্রমজীবী ও খেটেখাওয়া মানুষ ও চরাঞ্চলের বসবাতকারী মানুষ সরকারি-বেসরকারি সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছেন। সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, বে¬জার, শাল, মাফলার, কানটুপি ও হাত মোজার কদর প্রতিদিনই বাড়ছে। রংপুর নগরীর ছালেক মার্কেট, জামাল মার্কেট ও হনুমানতলা এরশাদ হকার্স মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণিবিতানে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, ব্লেজার, শাল, মাফলার বেশি বিক্রয় হচ্ছে। কানটুপি, হাত ও পা হাত মোজারও চাহিদা অনেক। ঠান্ডা থেকে সুরক্ষার জন্য গরম কাপড়ের পাশাপাশি হাত ও কান টুপির বিকল্প নেই। মাঙ্কি টুপি, মাফলার টুপি, ক্যাপের মতো টুপি, ঝোলা টুপিসহ বিভিন্ন ধরনের টুপি বেশী বিক্রয় হচ্ছে। ৪শত থেকে ১ হাজার টাকায় সোয়েটার ও জ্যাকেট বিক্রয় হচ্ছে। চাদরেরও চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট। নগরীর স্টেশন বাজার, সাতমাথা ও কাচারী বাজার এলাকায় বিভিন্ন ফুটপাতে পুরাতন কাপড়ের দোকানেও ভিড় বেড়েছে। এসব বিক্রেতারা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকেই পুরাতন কাপড়ের বান্ডিল ক্রয় করে রংপুর নগরীসহ বিভিন্ন উপজেলায় এসব গরমের কাপড় বিক্রয় করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। পুরাতন কাপড়ের দাম কম হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ এসব কাপড় ক্রয় করছে। আশরাফুল আলম বলেন, পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে এসেছি, ঠান্ডায় তেমন কাজ করতে পারছি। কম দামে একটি জ্যাকেট ক্রয় করলাম। নগরীর স্টেশন এলাকার পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন থেকে কনকনে শীত নেমেছে। গরম কাপড় বিক্রয় হচ্ছে বেশী। টুপি ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, একটি টুপি দেড়শত টাকায় বিক্রয় হলেও এখন ২শত থেকে আড়াইশ৩ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, শীত মোকাবেলায় সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে জেলা প্রশাসনের। এরই মধ্যে নগরীর ৩৩ ওয়ার্ডসহ জেলার ৮ উপজেলা ও ৩ পৌরসভায় সরকারিভাবে প্রথম পর্যায়ের ৪৬ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ও দ্বিতীয় পর্যায় ১৩ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ২৫ হাজার পিস কম্বলের চাহিদা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







