রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এসব কুকুরের আতস্কে রয়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ। বেওয়ারিশ কুকুরগুলো খাবারের সন্ধানে সব সময় রাস্তা ও বাসা বাড়ীর আশেপাশে ঘুড়াঘুড়ি করায় সন্তানদের নিয়ে কুকুরের আক্রমণের দুর্চিন্তায় থাকেন বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যগণ। বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের কোন উদ্যোগ নেই। সচেতন মহল মনে করেন এসব কুকুরের কামড়ে জলাস্ক হতে পারে। জলাস্ক রোগের কবল থেকে মানুষ ও গবাদি পশুকে রক্ষা করতে হলে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী। গত কয়েক মাসে শুধু রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় কুকুরের কামড়ে শতাধিক গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আক্রমণের শিকার হয়েছে প্রায় ২০০টি গবাদিপশু। একের পর এক গরু-ছাগল কুকুরের কামড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ। ফলে গরু-ছাগলের মালিকগণ সব সময় কুকুর আতস্কে থাকে। দিন মজুর আব্দুল হালিম বলেন, নিম্নআয়ের পরিবারগুলো এক-দুইটা ছাগল পালন করেন। মহিলারা সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে দুই একটি করে ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করেন। আমাদের তো জমি-জমা নাই। ফাঁকা মাঠে ময়দানে ছাগলগুলোকে ছেড়ে দিয়ে ঘাস খাওয়ানো হয়। এসব বেওয়ারিশ কুকুর মাঠের ছাগল-গরুগুলোকে আক্রমণ করছে। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মেডিকেলপাড়া এলাকার মেহেরুনেছা বলেন, ১৫ থেকে ২০টি কুকুর তার ছাগলটিকে আক্রমণ করে। ছাগলটি উপজেলা প্রাণিস¤পদ অফিসের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে। একই এলাকার নূরী বেগম বলেন, ১০ থেকে ১২টা কুকুরে কয়েকদিন আগত হামার তিনটা ছাগল খায়া ফেলাইছে। কুকুরগুলা এলাকাত হাঁস-মুরগি-ছাগল কিছুই থোয়চোল না। এইগুলার জ্বালায় কেমন করি একনা জিনিস পোষমো। কিছু দিন আগত পাশের বাড়ির কাদেরের প্রায় ২০ হাজার টাকার ৫টা ছাগল খায়া ফেলাইছে। সরকার কি এইগুলার ব্যবস্থা না নেয়। উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন থেকে উপজেলা প্রাণিস¤পদ অফিসে চিকিৎসা নিতে আসা আনোয়ারা বেগম বলেন, সকাল বেলা বাড়ির উঠানে ঘাস খাচ্ছিল ছাগলটি কোথা থেকে যেনো ৪ থেকে ৫টা কুকুর এসে ছাগলটার গলায় কমড়ে ধরছে। এই ভাবে কি আক্রমণ করলে ছাগল পোষা যায়। কয়েক দিন আগে হামার এলাকাত আরো কয়েক জনের ছাগল মারি ফেলাইছে। গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, প্রতিদিন যে হারে কুকুর কামড়ানো ছাগল আসছে তাতে আমারাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। এ ব্যাপরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







