রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: যমুনা টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকরা। মানববন্ধনে মামলার বাদী তাজহাট থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলুর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আহ্বান জানানো হয়। ৬ এপ্রিল বৃহ¯পতিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে রংপুর প্রেসক্লাব চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে সাংবাদিক সংগঠনের নেতাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করে। রংপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব রহমান হাবুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আব্দুস সাহেদ মন্টু, একুশে টেলিভিশনের রংপুর প্রতিনিধি লিয়াকত আলী বাদল, এনটিভির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার একেএম মঈনুল হক, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগ, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম রাজু, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের রংপুর স্টাফ রিপোর্টার ফখরুল শাহীন, আনন্দ টিভির রংপুর প্রতিনিধি মাহফুজুল আলম প্রিন্স, রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হোসেন বাবলু, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশেন রংপুরের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান আফজাল প্রমুখ। এ সময় বক্তাগণ অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, যার বিরুদ্ধে ভুয়া দলিলে সরকারি জমি আত্নসাৎ, তথ্য গোপন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই কাউন্সিলর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হয়েও আদালতে হাজির হয়ে কিভাবে মামলার আবেদন করেন, এটা বোধগম্য নয়। কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলু মামলা করে প্রমাণ করেছেন গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাধীনতা বাধার মুখে। বক্তারা আরও বলেন, যমুনা টেলিভিশনের অপরাধ অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান ক্রাইম সিনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি জালিয়াতি করে রেজিস্ট্রি বায়না দলিল করা সংক্রান্ত মামলায় এক বছর দন্ডপ্রাপ্ত ও তিনটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলু। তার বাহিনীর জমি দখল, মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবেদন টেলিভিশনে প্রচার হওয়ায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলা দাখিল করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউন্সিলর নিজেই সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট, জমি দখল ও আত্নসাৎ, হামলা-ভাঙচুর, ভয়ভীতি সৃষ্টি করেছেন, আবার তিনি সাংবাদিকের নামে মামলাও করবেন এটা মানা যায় না। একজন দন্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি কি করে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিষয়টি উদ্বেগজনক।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








