রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে গড়ে উঠেছে ফলের বাজার। বাঁশের খুঁটিতে ত্রিপল টাঙিয়ে ছায়াঘেরা পরিবেশে ফলের পসরা সাজিয়ে চলছে জমজমাট ব্যবসা। প্রতিদিন ভোর থেকেই শহীদ বেদির কোলঘেঁষে শুরু হয় পাইকারদের হাঁকডাক। ফলবোঝাই ট্রাক, ভ্যান ও অন্যান্য পরিবহনে মুখর থাকে শহীদ মিনার চত্ত্বর। ফলে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ নোংরা থাকছে। রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে ১০-১২টি ফলের দোকান রয়েছে। শহীদ মিনারের কোলঘেঁষে অনেক দোকানি ফলের ক্যারেটসহ ময়লা আবর্জনা রেখেছে। আনারস, পেয়ারা, লটকোন, জাম্বুরা, ড্রাগনসহ হরেক রকম ফলের ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে শহীদ মিনার চত্ত্বরে। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি মহান ভাষা আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনার চত্ত্বর। দুই বছর ধরে শহীদ মিনার চত্ত্বরে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে ফলের দোকান গড়ে তুলেছে। এতে ভাষা শহীদদের মর্যাদা ও তাদের আতœত্যাগের সম্মানে নির্মিত শহীদ মিনার চত্ত্বরের পবিত্রতা ও সৌন্দর্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টদের কোনো নজরদারি নেই। সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের শিক্ষক সুলতান তালুকদার আক্ষেপ করে বলেন, রংপুর শহীদ মিনার চত্ত্বর একটি ঐতিহাসিক জায়গা। সেই জায়গা এখন নোংরা ও ময়লাযুক্ত। সাবেক ছাত্রনেতা রিয়াদ আনোয়ার শুভ বলেন, শহরে এত জায়গা থাকতে শহীদ মিনার চত্ত্বরেই কেন ফলের বাজার বসাতে হবে? শহীদ মিনারের সামনে আগে সবুজ ঘাস ছিল। মানুষ সেখানে বসে জনসভার বক্তব্য শুনতো। আর এখন বৃষ্টিতে হয় কাদা, বৃষ্টি না হলে হয় ধুলা। ফল ব্যবসায়ী ও পাইকারগণ বলেন, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শহীদ মিনার চত্ত্বরে করোনাকালীন সময় থেকে তারা সীমিত পরিসরে ব্যবসা করে আসছেন। রংপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু বলেন, করোনা মহামারি শুরুর দিকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ মানবিক দিক বিবেচনা করে সেখানে অস্থায়ীভাবে বাজার বসানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সেখান থেকে অন্য ব্যবসায়ীরা চলে গেছেন। এখন যেসব ফল ব্যবসায়ী আছেন, তারা যদি নিজ দায়িত্ব অন্যত্রে চলে না যান, তাহলে উচ্ছেদ করা হবে। রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ফিরুজুল ইসলাম বলেন, শহীদ মিনার চত্ত্বরে বাজার বসানোর জন্য কাউকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলের ব্যবসা সরিয়ে নিতে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








