দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিরোধ, আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জাতীয় নেতা ও ওলামায়ে কেরামের মুক্তি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ শুরু হয়েছে। তবে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য বাহিরে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১০ জুন) দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সমাবেশ শুরু হয়।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, সাবেক সংসদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুর রহমান মুসা।
সমাবেশ করার জন্য শুক্রবার (৯ জুন) রাতে ডিএমপি জামায়াতকে মৌখিকভাবে অনুমতি দেয়। জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি দেয়া হয়।
অনুমতির পর সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয়, সেজন্য সমাবেশস্থলে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
সমাবেশস্থলে দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (মিরপুর পুলিশ লাইন্স) মো. আরিফুল বলেন, জামায়াতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে আমাদের মোতায়েন করা হয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিহত করতে আমরা কাজ করছি। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের অনুমতি নিয়ে তারা সর্বশেষ বিক্ষোভ মিছিল করেছিল রাজধানীর মতিঝিলে ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। সে হিসাবে ১০ বছরের বেশি সময় পর ঢাকায় কর্মসূচি পালন করছে জামায়াত।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সৈয়দ মামুন মোস্তফা গণমাধ্যমকে বলেন, ডিএমপি পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক তিন শর্তে মৌখিকভাবে অনুমতি দিয়েছেন। প্রথমত কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না, যানজট সৃষ্টি করা যাবে না এবং মিলনায়তনের ভেতরেই সমাবেশ করতে হবে।







