আলিফ হোসেন-তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-১ আসন। রাজনৈতিক দলগুলোর হেভিওয়েট প্রার্থীরা অংশ নেওয়ায় এই আসনটি দেশের ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে শীতের সুর্যের মতো মাঝে মাঝে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে ডজনখানেক নেতা।যাদের অনেকেই ব্যানার,ফেস্টুন বা পোস্টার সাঁটিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিতে চাইছে। তবে এবার মনোনয়ন প্রত্যাসীদের মধ্যে দুই নারীর পোস্টার সাঁটানো নিয়ে মৃদু আলোচনা হয়েছে। তারা প্রত্যক্ষ ভোটে নয়, সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে প্রচেষ্টা করছে বলে মনে করছে তৃণমুল।
জানা গেছে,এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন টানা তিনবারের এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।এখানে এখানো তার বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি,সেই সম্ভবনাও নাই। ফলে এবারো তিনিই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন সেটা প্রায় নিশ্চিত। কারণ বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হককে পরাজিত করে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তার বিজয়ের মধ্যদিয়ে বিএনপি-জামায়াত দুর্গের পতন হয়েছে। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে ফারুক চৌধুরী তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতা ও জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছে।
এছাড়াও আলোচনা শোনা যাচ্ছে-জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মতিউর রহমান,মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী,দেওপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আক্তার,জেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক একেএম আসাদুজ্জামান আসাদ,জেলা কৃষক লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ তাজবুল ইসলাম,আয়শা আক্তার ডালিয়া ও মাহীয়া সরকার মাহী প্রমুখ মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে আলোচনা রয়েছে। তবে তৃণমূলের ভাষ্য, এদের কারো এমপি নির্বাচিত হবার মতো সাংগঠনিক অবস্থান ও কর্মী বাহিনী নাই।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত,এমপি নির্বাচন করতে গেলে একজন প্রার্থীর যে ধরণের আর্থিক স্বচ্ছলতা,পারিবারিক ঐতিহ্য,সামাজিক মর্যাদা,রাজনৈতিক দক্ষতা,গ্রহণযোগ্যতা ও কর্মীবাহিনী প্রয়োজন তা কেবল ফারুক চৌধুরী ব্যতিত অন্যদের নাই।
রাজশাহী-১ সংসদীয় আসন আয়তনের দিক দিয়ে দেশের ৮ম বড় আসন।বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দুর্গম ও প্রত্যন্ত পল্লী নিয়ে গঠিত। বৃহত্তর এই এলাকার মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে কমপক্ষে ১০ বছর সময় প্রয়োজন।তাহলে হঠাৎ কেউ উড়ে এসে জুড়ে বসে মনোনয়ন চাইলে তাকে কি বিবেচনায় মনোনয়ন দিবেন।কারণ ফারুক চৌধুরী প্রায় তিনদশকের বটবৃক্ষ ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব।কাজেই আওয়ামী লীগের মতো দল তাকে সরিয়ে নতুন বীজ রোপণের মতো ঝুঁকি নিবেন না।কেননা এটা হবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন।
অপরদিকে,বিএনপি থেকে এবার মনোনয়ন চান সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন শরিফ,ব্যারিষ্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন,জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক সাজেদুর রহমান খান মার্কনি ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক শাহাদৎ হোসেন শাহীন।এছাড়াও জামায়াতের সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির নেতা অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।
জানা গেছে,বিগত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে জয়ী হয়ে টানা তিন মেয়াদ ধরে এমপি আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।২০১২ সালের দিকে তিনি শিল্প প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী টানা তিনবারের এমপি ও মন্ত্রী বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হককে পরাজিত করেন।২০০৮ সালের নির্বাচনে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক থাকায় বিএনপির মনোনয়ন পান তার বড় ভাই পুলিশের সাবেক আইজিপি ডক্টর এম এনামুল হক।এবার এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন বা ব্যারিষ্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন।এই আসনে এবার ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বেশ কয়েকজনের নাম ইতোমধ্যে কিছুটা আলোচনায় এসেছে, তবে সেটা ইতিবাচক নয়, নেতিবাচক।
বিগত নির্বাচনে ‘সেভেন স্টার’ নামে পরিচিত ফারুক চৌধুরী এমপিবিরোধী গ্রুপের প্রধান সাবেক ডিআইজি মতিউর রহমান বলেন,’আগামী নির্বাচনে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছি।নিজ এলাকায় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও কথা বলেছি তবে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই নির্বাচন করবেন।এছাড়াও তানোরের মুন্ডমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী ও গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে গোলাম রাব্বানী উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে দুই বার বিএনপির দুর্বল প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। আর আক্তারুজ্জামান আকতার ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলীয় প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। এখন এরা যদি এমপির মনোনয়ন চাই তাহলে বলার কি আছে।
আখতারুজ্জামান আখতার বলেন,’তিনি এলাকায় তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও পরিচিতি আছে।এছাড়াও এবার রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট করেছেন।তবে ভোটের ফলাফল কী তা সবার জানা আছে।তিনি আরও বলেন,’জেলা পরিষদের নির্বাচন করার পর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ভোট করা মানায় না।তাই জনগণ ও নেতাকর্মীদের চাওয়ার প্রেক্ষিতে এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে চাইতেই পারি।আমি এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট করতে ও দলীয় মনোনয়ন চাইবো।’
রাজশাহী-১ আসনে নতুন মুখ হিসেবে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আসাদুজ্জামান আসাদ এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।ইতোমধ্যে তিনি নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন সাঁটিয়েছেন।নিজেকে নির্বাচনের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনে করায় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এবিষয়ে একেএম আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন,তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা।তার রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯৩-৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের সভাপতি,১৯৯৭ থেকে ২০১৬ সালে দুইবারে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।এছাড়াও দ্বিতীয়বারের মতো জেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে নানান চড়াই উৎরায় পার করেছেন। তাই তিনি এবার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দলের কাছে চাইতেই পারেন।গত নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন,এবারও চাইবেন।দল যাকে মনোনয়ন দেবে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং তার হয়ে সবাই কাজ করবেন। এছাড়াও জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ তজবুল ইসলাম এই আসনের প্রার্থী রয়েছেন।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এই আসনের প্রার্থী ছিলেন।এছাড়াও এই আসনে আয়েশা আখতার ডালিয়া ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া সরকার মাহিও নির্বাচন করতে চায়।তারা দু’জনই এলাকায় মাঝে মাঝে সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি এমপি ভোট করবেন বলে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলে ডালিয়ার কোনো পদ-পদবি নেই।ডালিয়ার বাবার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার ঘনশ্যামপুর গ্রামে।আয়েশা আক্তার ডালিয়া বলেন,গোদাগাড়ী-তানোর আসনটিতে তার বাবা-দাদার বাড়ি।প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি এখানকার জনকল্যাণে কাজ করছেন।আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রস্তুত এবং জয়ী হওয়ার ব্যাপারেও দৃঢ় আশাবাদী।
অপরদিকে,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক চিত্রনায়িকা মাহিয়া সরকার মাহির নানার বাড়ি তানোর উপজেলার মুন্ডুমালায়।সেখানেই তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা।সম্প্রতি স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মাহির পোস্টার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোদাগাড়ী-তানোরের হাট-বাজার ও পাড়া মহল্লা।গত বছরের ৪ নভেম্বর রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালায় একটি কাবাডি টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করার কথা জানিয়েছেন তিনি। মাহি বলেন,’আমি মানুষের সেবা করতে চাই।আমার কাছে রাজনীতি মানে মানুষের সেবা করা।যদি এলাকার লোকজন আমাকে চান এবং দল আমাকে মনোনয়ন দেয় অবশ্যই নির্বাচন করব। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলেন, ফারুক চৌধুরীর কোনো বিকল্প নাই, কেউ যদি স্বপ্ন দেখেন সেটা দেখতে দোষ নাই। কিন্ত্ত স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।
রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ছড়াছড়ি এতে ভোটের মাঠে কোনো প্রভাব পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে,বর্তমান এমপি ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন,’একমাত্র পাগল ছাড়া যে কেউ এমপি প্রার্থী চাইতেই পারে। তবে নির্বাচনী এমপি প্রার্থী হতে চাওয়া আর নির্বাচন করা,নির্বাচিত হওয়া ও নেতৃত্ব দেওয়া এক কথা নয়।এর মধ্যে বহু হিসাব-নিকাশ আছে।আওয়ামী লীগে যেহেতু বড় দল তাই যে কেউ প্রার্থী হতেই পারেন।এজন্য আমার কোনো মাথা ব্যথা নেই।তবে দল যাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেবে সেই নির্বাচন করবে এটা পরিস্কার।
এদিকে রাজশাহী-১ আসনের এক সময়ের হেভিওয়েট নেতা প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনের নাম বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে। মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বলেন,এবারের নির্বাচনে বিএনপি যাবে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়।তবে তিনি রাজশাহী-১ গোদাগাড়ী-তানোর আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন,’আমি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো বাকিটা দলের ব্যাপার।প্রয়াত
ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই হিসেবে আপনি স্থলাভিষিক্ত হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন এই ক্ষেত্রে জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে কেমন সাড়া পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,’গোদাগাড়ী-তানোর উপজেলার ১৬টি ইউপি ও চারটি পৌরসভার ১৮০টি ওয়ার্ডের জনগণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমি দেখা সাক্ষাৎ করছি।সবাই আমাকে গ্রহণ করছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।’তিনি তার ভাই প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের কাজ ও অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন,তিনি এই এলাকায় রাস্তাঘাট,স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।প্রেমতলী থেকে বালিয়াঘাট্টা নদীর বাঁধের জন্য যে টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছিলেন তার পুরো কাজ হয়নি,টাকা ফেরত চলে গেছে।বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হলে তার ভাইয়ের রেখে যাওয়া কাজ সমাপ্ত ও রাস্তাঘাটসহ সব উন্নয়নের রক্ষণাবেক্ষণ করবেন বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে শরিফ উদ্দিন ছাড়াও ব্যারিষ্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন,রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক সাজেদুর রহমান খান মার্কনি ও যুক্তরাষ্ট প্রবাসী ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক শাহাদৎ হোসেন শাহীন প্রার্থী হতে চেয়েছেন। সাজেদুর রহমান খান মার্কনি বলেন,’ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাই মেজর শরীফ তিনি বিএনপির কে ? তিনি কি কোনো পদে বা দায়িত্বে আছে ?একটি পরিবার থেকেই যদি রাজনীতির নেতৃত্ব আসে তাহলে বাকিদের রাজনীতি করার দরকার নেই।’তিনি আরও বলেন,বিএনপি মনে করে ফেয়ার নির্বাচন হলে দল ক্ষমতায় যাবে।আমি মনে করি বেচাবিক্রি যদি না হয়,ফেয়ার নমিনেশন হলে মনোনয়ন আমি পাবো ইনশাল্লাহ। এদিকে জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে এ আসন থেকে ১৯৮৬ সালে জয়ী জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছে দলটি।,ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগও করেছেন তিনি।জেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি ডক্টর মো. ওবাইদুলস্নাহ মজিবুর রহমানের প্রার্থিতা নিশ্চিত করে বলেন,আমাদের পার্টি থেকে প্রায় ৩ মাস আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।তিনি আমাদের দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবেন।
জাতীয় পার্টি থেকে এবারের নির্বাচনে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার সন্তান ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট সলাহ উদ্দীন বিশ্বাস নির্বাচন করবেন বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন।এর আগে কল্যাণ পার্টি থেকে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।এছাড়াও জাতীয় পার্টি থেকে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।#
Post Views: 445
Related