Sunday, September 20, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home আলোচিত নিউজ/ছবি

রাজা যায় রাজা আসে, মানুষের ভাগ্য কেন বদলায় না?

admin by admin
February 11, 2026
in আলোচিত নিউজ/ছবি, ইতিহাসের পাতায়, বাংলাদেশ, বিশেষ সংবাদ
Reading Time: 1 min read
1 0
A A
0
0
SHARES
17
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও সাধারণ মানুষের চাহিদাগুলো একই রয়ে গেছে। প্রান্তিক শ্রমজীবীরা আজও ক্ষুধা পেটে নিয়ে ঘুমাতে যায়। সন্তানের শিক্ষা এখনো পারিবারিক সচ্ছলতার ওপর নির্ভরশীল। পরিবারে একবার কেউ অসুস্থ হলে সমস্ত সঞ্চয় ব্যয় করে চিকিৎসা করাতে হয়। গোটা পরিবারের ভবিষ্যৎ হয়ে ওঠে অনিশ্চিত।

বাংলাদেশের প্রান্তিক শ্রমজীবীরা আজও এসব অনিশ্চয়তা থেকে পরিত্রাণ পায়নি। সবজি বিক্রেতা সাথী ক্ষুধা থেকে মুক্তি চান, চা শ্রমিক তরলা ঘাটোয়াল ন্যায্য মজুরি চান, ভিক্ষুক হাজেরা বেগম মাথা গোঁজার ঠাঁই চান, পোশাকশ্রমিক কাজলী বেগম সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ চান ও ঘের শ্রমিক সুব্রত মিস্ত্রি চান স্বাস্থ্যের সুরক্ষা। দেশজুড়ে এই মানুষগুলোর আক্ষেপ আর আকাঙ্ক্ষার কথা শুনেছেন দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধিরা। লিখেছেন আরাফাত সেতু।

ঢাকার তেজকুনিপাড়ার ফকিন্নি বাজারে সবজি বিক্রি করেন সাথী। একদিকে জীবিকা অর্জন, অন্যদিকে দুই সন্তানের লালন পালনে ব্যস্ত এই তরুণীর বয়স যেন বেড়ে গেছে। প্রথম ঢাকায় আসেন ১০ বছর বয়সে, তখন থেকেই রয়েছেন। বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের অবস্থাও আমাদের চেয়ে ভালো। সরকার তাদের ঘর দিয়েছে। আমরা তা-ও পাইনি।’

দু-দিন পরপর সিটি করপোরেশনের লোক এসে সাথীদের ঘর, ব্যবসা গুঁড়িয়ে দেয়।

আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘আগামীতে সরকারের কাছে বেশি কিছু চাওয়ার নেই। আমাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা যেন করে।’

দেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, এ খাতে শ্রমিক সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০ লাখ। এর প্রায় অর্ধেকই নারী। তৈরি পোশাক খাতের সর্বশেষ মজুরি কাঠামো ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়।

এই বেতনে সংসার চলে না কাজলী বেগমের। গাজীপুরের এসএম সোর্সিং পোশাক কারখানার এই শ্রমিক জানান, গ্যাস, চাল, তরকারি—সবকিছুর দাম বেশি। এ মাসে বাসা ভাড়াও বেড়েছে।

কাজলীর কোনো সঞ্চয় নেই। উপরন্তু ঋণের দায়ে জর্জরিত। বলেন, ‘সামনে যে সরকারই আসুক, আমাদের বেতন যেন বাড়ে, নিত্যপণ্যের দাম যেন কমে।’

রোগীকে চেয়ারে বসিয়ে বাঁশে করে দুদিকে দুজন ধরে দুর্গম পাহাড় পাড়ি দিচ্ছে, এটি পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির চেনা দৃশ্য। যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে নিতে না পারায় অসংখ্য রোগী মারাও যান। প্রশ্ন জাগে, পাহাড়ের মানুষের জীবনের মূল্য কি কম?

বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকার বিদ্যারাম পাড়ার অন্তঃসত্ত্বা শ্রীমতি ত্রিপুরা। সম্প্রতি আলট্রাসনোগ্রাফি করতে এসেছিলেন সদর হাসপাতালে। এসে শুনেন মেশিন নষ্ট। পরে বাধ্য হয়ে যান বেসরকারি হিলভিউ হাসপাতালে। বলেন, ‘সেখানে ৮০০ টাকা দিতে হয়েছে। আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য এটা অনেক কষ্টের।’

নির্বাচিত সরকার যেন সরকারি হাসপাতালের এসব অব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষ নজর দেয়, দাবি তার।

পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার সুযোগও সমতলের তুলনায় সীমিত। দক্ষ শিক্ষকের যথেষ্ট অভাব ও আবাসন সংকট রয়েছে। এ কারণে দুর্গম পাহাড় থেকে রাঙ্গামাটি শহরে পড়তে এসেছেন অভীক চাকমা। থাকছেন মেসে।

রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘পাহাড়ে আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধা নেই। এ কারণে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরা শহরমুখী হচ্ছে।’

তার চাওয়া, পাহাড়ে যেন সাম্প্রদায়িকতা না থাকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন সমান সুযোগ পায়।

যদিও দেশের খাদ্যের জোগানদাতা কৃষকেরা সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিবিএসের তথ্য বলছে, দেশের জাতীয় কৃষি মজুরির (দৈনিক ৬০০ টাকা) চেয়ে কম মজুরি পান প্রায় ৪০ শতাংশ কৃষক। বর্তমানে দেশে কৃষির ওপর নির্ভরশীল ২৬.৫ শতাংশ পরিবার খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

২০২৩ সালে বিবিএস এক জরিপে জানিয়েছিল, বিভিন্ন কারণে ২০২২ সালে কৃষি পেশা ছেড়ে দিয়েছেন প্রায় ১৬ লাখ কৃষক।

এসব তথ্যের বাস্তবতা ফুটে ওঠে রাজশাহীর পুঠিয়ার জামিরা গ্রামের প্রবীণ কৃষি শ্রমিক হায়দার আলির কথায়। জানান, তারা অন্যের জমিতে চাষ করেন। কাজের বিনিময়ে টাকা পান। জমির মালিক উৎপাদন খরচ তুলতে না পারলে এর প্রভাব তাদের ওপরও পড়ে।

সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন জানিয়ে বলেন, ‘এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই।’

সমতলের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর তুলনায় সাঁওতালদের অবস্থা আরও করুণ। বরেন্দ্র অঞ্চলের এই শিকারিরা তাদের প্রাচীন পেশা ছেড়ে কৃষিকাজ ধরলেও দুর্দশা ঘোচাতে পারেননি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নিমঘটু গ্রামের ষাটোর্ধ্ব কৃষক মিখাইল হাঁসদার অবয়বে সেই ছাপ স্পষ্ট। জানান, ধান চাষের সময় পর্যাপ্ত সেচ পান না। চাষের সময় এলেই পানির দাম বেড়ে যায়। কীটনাশক-সারের বাড়তি দাম তো আছেই।

আগামীতে সরকারের কাছে কী চান, জানতে চাইলে বলেন, ‘সরকার যেন কৃষকদের দিকে বাড়তি নজর দেয়, সব ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়।’

বাড়ির পাশে সালতা নদীর দিকে তাকালে ঠাকুর প্রসাদ রায়ের বুক ভেঙে যায়। কারণ হিসেবে জানান, এই নদীসহ বিলের ভেতর দিয়ে চলা অন্তত পাঁচটি খাল ভরাট হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তিনটি স্লুইসগেট অচল। প্রতিবছর জলাবদ্ধতা হয়, কৃষির মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করে।

খুলনার বটিয়াঘাটার খলসীবুনিয়া গ্রামের এই কৃষকের প্রত্যাশা, পরবর্তী সরকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সঠিক সময়ে সঠিক পূর্বাভাস দেবে।

প্রায় ৩০ বছর ধরে চিংড়ি ঘেরে কাজ করছেন একই গ্রামের সুব্রত মিস্ত্রি। মৎস্য শ্রমিকের পেশায় এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলেও জীবনের গতিপথ একটুও পাল্টায়নি তার।

জানান, তাদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নেই। লবণাক্ত পানিতে দীর্ঘসময় কাজ করলে ঘা-চুলকানি হয়, গায়ে ব্যথা বাড়ে। কাজ না করলে সংসার চলে না।

কখনো মাছের দাম কমে গেলে মালিকরা সেই অজুহাত দেখিয়ে মজুরি কমিয়ে দেয়। অনেক সময় বকেয়া রাখে। এজন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও ওভারটাইমের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে জানান তিনি।

জেলেদের অবস্থাও জলে ভাসা পদ্মের মতো। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে জানা যায়, আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিবন্ধিত ১৮ লাখ ১০ হাজার জেলের মধ্যে ১৫ লাখ ৮০ হাজার জেলেকে পরিচয়পত্র প্রদান করেছে সরকার। মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময়গুলোতে সরকার জেলেদের সহায়তাও করছে। যদিও তা অপ্রতুল। জেলেদের মুখে কাঙ্ক্ষিত হাসি নেই।

এর কারণ জানা গেছে বরগুনার আমতলীর আমড়াগাছিয়া গ্রামের জেলে আনসার সিকদারের কথায়। তিনি জানান, নদ-নদীতে আগের মতো মাছ নেই। আগে দৈনিক ৮০০-১০০০ টাকার মাছ পেতেন। এখন ৩০০-৪০০ টাকারও পান না।

এ দুরবস্থা শুধু তার একার নয়। উন্নত জীবনের সন্ধানে পরিচিতদের অনেকেই পুরোনো পেশা ছেড়ে গেছে। তবে পেশার টানে রয়ে গেছেন তিনি।

আনসার আবার আগের মতো দখল-দুষণমুক্ত নদ-নদীর স্বপ্ন দেখেন। সরকার ভবিষ্যতে মাছের নির্বিঘ্ন প্রজননের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করবে, সেই প্রত্যাশাও রাখেন।

একই উপজেলার ঘটখালী গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন রূঢ় বাস্তবতার গল্প শোনান। জানান, অনেক কষ্ট করে শস্য উৎপাদন করেন, তবে ন্যায্যমূল্য পান না।

হতাশ কণ্ঠে বলেন, ‘আমন ধানের কথাই ধরেন, প্রতি মণে খরচ পড়ে প্রায় ১২০০ টাকা, বেচতে হয় ১০০০ টাকায়। খরচই ওঠে না।’

পরবর্তী সরকারের কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রির গ্যারান্টি চান তিনি।

চা শ্রমিকরাও কোনো সরকারের আমলে ন্যায্য মজুরির গ্যারান্টি পাননি। প্রতিজন শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের বিনিময়ে পান মাত্র ১৭৯ টাকা।

একটি কুঁড়ি দুটি পাতা তুলতে তুলতে কখন যে বুড়িয়ে গেছেন টের পাননি তরলা ঘাটোয়াল। ১২ বছর বয়সে মাত্র তিন টাকা মজুরিতে কাজ শুরু করেছিলেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার তিলকপুর চা বাগানে। সেসময় পুরুষরা পেতেন ৬ টাকা।

দৈনন্দিন সমস্যার কথা জানতে চাইলে প্রথমে দম ধরে থাকেন, কিছুক্ষণ পর উত্তর দেন। বলেন, ‘আমাদের সমস্যার শেষ নেই। আমাদের জীবনটাই একটা সমস্যা। ভোটের সময় অনেকেই আশ্বাস দেয়, তারপর আর খোঁজ নেয় না।’

তার মতে, চা শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান শুধু মালিকপক্ষের সদিচ্ছার ওপর ছেড়ে দিলেই হবে না। এজন্য সরাসরি সরকারি ও আইনি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

জীবন কেড়ে নেওয়া শ্রম পাথরভাঙা। শ্রমিকদের যাপনও অত্যন্ত করুণ, তীব্র যন্ত্রণা আর অভাবে বিপর্যস্ত। সিলিকোসিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুই যেন শেষ পরিণতি।

পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় উভয় সংকটে পড়েছেন সিলেটের জাফলংয়ের পাথরভাঙা শ্রমিক ফজল মিয়া। জানান, কাজ নেই। খুব অভাবে আছেন। সংসার চলছে না।

সরকারের কাছে একটাই আবেদন, পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া হোক-আকুতি তার।

দেশের সীমান্তবর্তী ৩২টি জেলার (ভারতের সঙ্গে ৩০টি ও মিয়ানমারের সঙ্গে ৩টি) মানুষ সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকে। ভয়ে ভয়ে সীমান্ত এলাকায় চাষবাসে যায়।

জানতে চাইলে লালমনিরহাটের আদিতমারীর দূর্গাপুর সীমান্তের বাসিন্দা হাসিনা বেগম বলেন, ‘সীমান্তে সবসময় বিএসএফ থাকে। আতঙ্কে ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারি না।’

সীমান্তের অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় আনার দাবি তার। পাশাপাশি চান, সীমান্ত যেন সবসময় শান্ত থাকে।

সমতলের সঙ্গে পাহাড়ি জীবন যেমন এক নয়, তেমনি মূল জনপদের সঙ্গে চরের জীবনও মেলানো যায় না। চরের কৃষি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সব ক্ষেত্রে জীবনমান তলানিতে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার দ্বীপ চর ফলিমারীর কৃষক সাইদুল ইসলাম জানান, রাস্তাঘাটের অভাবে ফসল বাজারে বেচতে পারেন না। প্রণোদনা, ব্যাংক বা এনজিও থেকে ঋণও পান না।

ভোটে যে সরকারই আসুক, চরের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় চান তিনি।

সমতলের গারো জনগোষ্ঠীও নিরাপত্তার অভাব, ভূমি দখলসহ নানা সমস্যায় ভুগছে। তারা সাংবিধানিক স্বীকৃতি চায়।

টাঙ্গাইলের মধুপুরের পীরগাছা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জাস্টন ম্রং জানান, কোটা বাতিল হওয়ায় সরকারি চাকরিতে তাদের অংশগ্রহণ কমে গেছে। পরবর্তী সরকার যেন এর সমাধান করে।

তিন বছর আগে ঘর পুড়ে যায় বিধবা হাজেরা বেগমের। সেসময় তিনিও দগ্ধ হন। অসুস্থ শরীর নিয়েই আশ্রয় নেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে। এরপর ভিক্ষাবৃত্তিতে নামেন। অর্থাভাবে করাতে পারেননি চিকিৎসা।

ঈশ্বরগঞ্জের মরিচারচর গ্রামের এই নারী জানান, আগুনে তার জাতীয় পরিচয়পত্রটিও পুড়ে গেছে। অনেক ঘোরাঘুরি করেও সহায়তা পাননি।

আগামীতে সরকারের কাছে শুধু একটি ঘর চান অসহায় এই নারী।

গণতন্ত্রে নিয়মিত বিরতিতে ভোট হয়। ভোটের আগে প্রার্থীরা ‘মিথ্যে’ ইশতেহারের পসরা সাজিয়ে বসেন। ক্ষমতায় গিয়েই সব ভুলে যান। এরপর অজানা বৃত্তে একই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খায়, হাজেরারা কেন ভিক্ষা করে, মাথা গোঁজার ঠাঁই কেন পায় না?

প্রতিবেদনটি তৈরিতে আমাদের গাজীপুর, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, রাজশাহী, খুলনা, পটুয়াখালী, মৌলভীবাজার, সিলেট, লালমনিরহাট, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ প্রতিনিধি সহায়তা করেছেন। দ্য ডেইলি স্টার

Post Views: 287

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

by admin
September 20, 2026
0
7

জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...

অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

by admin
September 20, 2026
0
15

কুমিল্লা: অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার...

অপ্রতিম হত্যার রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত, দাবি পুলিশের

অপ্রতিম হত্যার রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত, দাবি পুলিশের

by admin
September 20, 2026
0
50

কুমিল্লা: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত হয়েছে বলে...

অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

by admin
September 20, 2026
0
11

কুমিল্লা: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার...

কোন গ্রেডে বেতন কত শতাংশ বাড়ল

কোন গ্রেডে বেতন কত শতাংশ বাড়ল

by admin
September 19, 2026
0
81

অবশেষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন পেস্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ...

পাবনায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ-হত্যা: প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার তাণ্ডব

পাবনায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ-হত্যা: প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার তাণ্ডব

by admin
September 19, 2026
0
16

পাবনা সদর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী শিশু কামরুন্নাহার কলিকে গণধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান September 20, 2026
  • রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা September 20, 2026
  • ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সৌদির ২৬ বিমান অভিযান, দাবি হুথিদের September 20, 2026
  • অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ September 20, 2026
  • অপ্রতিম হত্যার রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত, দাবি পুলিশের September 20, 2026
  • অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন September 20, 2026
  • বিরোধীদলের লং মার্চ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: পানিসম্পদ মন্ত্রী September 19, 2026
  • কোন গ্রেডে বেতন কত শতাংশ বাড়ল September 19, 2026
  • দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির September 19, 2026
  • পাবনায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ-হত্যা: প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার তাণ্ডব September 19, 2026
  • রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ কোনো ইনডোর গেম নয়, এই দল বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসা দল নয় – আবদুস সবুর September 19, 2026
  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বন্ধের ঘটনায় আসিফ নজরুলের বিচারের দাবি-এম এ আলীম সরকার-এর September 19, 2026
  • মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হাজী আঃ রব প্রয়াণে জেএসএফ-বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এর শোক প্রকাশ September 19, 2026
  • সন্দ্বীপের পণ্ডিতের হাটে শ্রমিক দলের নেতাকে গুলি September 19, 2026
  • নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা September 19, 2026
  • ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ বনপাড়ার ব্যবসায়ী মাহাবুল আলম! September 19, 2026
  • নবীনগরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান September 19, 2026
  • পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য September 19, 2026
  • গাইবান্ধায় সদর উপজেলায় জনগণের উদ্যোগে ঝিনিয়ার বিলে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন September 19, 2026
  • সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশ্বনাথে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত September 19, 2026
  • নলডাঙ্গায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই জনকে কারাদণ্ড প্রদান September 19, 2026
  • নলডাঙ্গায় যুবদলের উদ্যোগে মশক নিধন অভিযান September 19, 2026
  • নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ September 19, 2026
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার মান উন্নয়নে আরও দায়িত্ব নিতে হবে September 19, 2026
  • গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৫নং বল্লমঝাড় ইউনিয়নের আয়োজনে ‘আন্তঃগ্রাম ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ এর শুভ উদ্বোধন September 18, 2026
  • নবীনগর পশ্চিমাঞ্চল প্রেসক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু September 18, 2026
  • গুইমারা রামসু বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী September 17, 2026
  • রামগড় বিজিবির অভিযানে কয়লারমুখ সীমান্তে ভারতীয় গরু জব্দ September 17, 2026
  • মশা মারতে অনিয়মের অভিযোগ, ডিএসসিসিতে দুদকের অভিযান September 17, 2026
  • র‍্যাব আর র‍্যাব নয়, এখন এসআরবি September 17, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

      জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

      September 20, 2026
      রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

      রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

      September 20, 2026
      ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সৌদির ২৬ বিমান অভিযান, দাবি হুথিদের

      ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সৌদির ২৬ বিমান অভিযান, দাবি হুথিদের

      September 20, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d