রাজধানীর পল্লবীর আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় রামিসার মা পারভীন আক্তার কন্যা হত্যার বিচার দাবি করেন এবং আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন। তবে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, রামিসার মা আদালতে কিছু বিষয়ে “মিথ্যা সাক্ষ্য” দিয়েছেন।
এদিকে সাংবাদিক আলী আজগরসহ বিভিন্ন বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন, আবেগ নয়—সত্য উদ্ঘাটনের জন্য আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনের শাসনের ওপর আস্থা রাখতে হবে। একটি মামলায় কে সত্য বলছেন আর কে মিথ্যা বলছেন, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র আদালতের। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর পরিবর্তে বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করা জরুরি।
বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আদালতে ইতোমধ্যে একাধিক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
রামিসা হত্যাকাণ্ড দেশবাসীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। শিশুটির নির্মম মৃত্যুতে সর্বস্তরের মানুষ ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। এমনকি ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা প্রথমদিকে আসামিপক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেছিলেন।
আমাদের প্রত্যাশা—আদালত সকল সাক্ষ্য, প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রকৃত অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন এবং নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত হবে।
⚖️ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হোক রাষ্ট্র ও সমাজের অঙ্গীকার।








