এদিকে শারজায় টস জিতে আজও আরব আমিরাত প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। চোটের কারণে একাদশে ছিলেন না আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান পারভেজ হোসেন ইমন।
লিটনকে সঙ্গে নিয়েই তামিম গড়েন পাওয়ারপ্লেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এদিন পাওয়ারপ্লেতে ৫২ রান একাই করেন তিনি। এর আগের রেকর্ড ছিল লিটন দাসের আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৯ রান। ৩৩ বলে ৫৯ রান করে অবশ্য সাজঘরে ফিরতে হয় তামিমকে।
একপর্যায়ে হৃদয় ছাড়িয়ে যান শান্তকে। ১৯ বলে ২৭ রান করে শান্ত বিদায় নিলেও হৃদয় সচল রাখেন রানের চাকা। আর তাতে বিশাল পুঁজি জড়ো করে বাংলাদেশ। ৬ বলে ১৮ রানের ক্যামিও খেলেন জাকের আলী অনিক। ক্রিজে এসেই চার হাঁকান শামীম হোসেন পাটোয়ারি। ২৪ বলে ৪৫ রান করে শেষ ওভারে বিদায় নেন হৃদয়। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে দলীয় পুঁজি দাঁড়ায় ২০৫ রান। যা এই ফরম্যাটে টাইগারদের ৪র্থ সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
২০৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরব আমিরাত শুরু থেকেই খেলছিল বিধ্বংসী মেজাজে। বাংলাদেশের কোনো বোলারকেই ছেড়ে কথা বলছিলেন না দুই ওপেনার জোহাইব ও অধিনায়ক ওয়াসিম। নাহিদ রানা তার অভিষেক ওভারে বিলি করেন ১৮ রান। রিশাদ হোসেন প্রথম ওভারে ভালো করলেও দ্বিতীয় ওভারে খেই হারান। কোনো উইকেট না হারিয়েই তিন অঙ্কে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।
১০৭ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। তবে ওয়াসিম পথ হারাতে দেননি। শেষদিকে একের পর এক উইকেট হারালেও বোলারদের বদান্যতা আর বাংলাদেশের মিস ফিল্ডিংয়ের সুবাদে ১ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আরব আমিরাত। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা।







