আমি শেখ হাসিনার পতনের বিষয়ে Macro Level এ অনেক আলোচনা করেছি।কিন্তু মাঠে পরিকল্পনা সাজানোর মত অনেক বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।তাই আঙ্কেল স্যামের পাশাপাশি শেখ হাসিনার পতনের জন্য যে ব্রেইন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সে কোটা আন্দোলনে যুক্ত ছিল কিন্তু পর্দার পেছনে থেকে।
এগুলো কোটা আন্দোলনের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘোষণার ছবি।অনেকের ধারনা এরাই কোটা আন্দোলনের মূল নেতা।
এছাড়া বাংলাদেশের ডিবি এদের তুলে নিয়ে গিয়ে আন্দোলন থামিয়ে দিতে চেয়েছিল কিন্তু পারে নি।
ডিবি নাহিদকে ধরে নিয়ে বর্বরভাবে নির্যাতন করেছে কিন্তু সেগুলো কাজে আসে নি।
এর প্রধান কারন এদের বুদ্ধিতে আন্দোলন পরিচালিত হয় নি।আন্দোলন মূলত পরিচালিত হয়েছে মাহফুজ আবদুল্লাহ এর বুদ্ধিতে।
মাহফুজ আবদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের বিদ্যার্থী।
বাংলা ট্রিবিউন যে ইনটেলেকচুয়াল তরুনের বিষয়ে বলেছিল, এই সেই তরুন।
মাহফুজ আবদুল্লাহ সর্বদাই লাইম লাইটে আসেন নি।এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পরও সে পর্দার আড়ালেই রয়েছে।
আপনি যদি নাহিদ, হাসনাত, সার্জিছ এদের কথাবার্তা অবজার্ভ করেন তাহলে বুঝবেন এরা এতটা বুদ্ধিমান নয়।কিন্তু মাহফুজ আবদুল্লাহ জিনিয়াস।”বাংলা ব্লকেড” শব্দের প্রবর্তন তিনিই করেছেন।
তবে তিনি বাংলাদেশের জামাত ইসলামী এর স্টুডেন্ট অরগানাইজেশান ইসলামী ছাত্র শিবিরের সদস্য ছিলেন।
আমি তার কিছু লেখা পড়ে মোটামুটি ধারনা করতে পেরেছি চিন্তাভাবনা সম্পর্কে।মাহফুজ আবদুল্লাহ পুরোপুরি হার্ডলাইনার ইসলামিস্ট নয় কিন্তু কট্টর আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে।
মাহফুজ আবদুল্লাহ নিসন্দেহে ইতিহাস ও রাজনীতি নিয়ে গভীর জ্ঞান রাখেন।হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ডান, বাম, ইসলামপন্থী, সংখ্যালঘু সবাইকে একত্রে আনার জন্য শব্দ চয়নে যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন মাহফুজ আবদুল্লাহ।







