তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে ইউপি আওয়ামী লীগের একাংশের সভাপতির সমর্থকদের হামলায় তিনজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে।আহতরা হলেন ইলামদহী গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র হারুন(৩৪) তার ভাই ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আব্দুল হালিম(৪০) ও মামাতো ভাই একই গ্রামের মৃত আব্বাসের পুত্র খাইরুল ইসলাম(৪৪)। তাদের উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) ইলামদহী গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, সভাপতি হবার আনন্দে তার সমর্থকেরা এই হামলার মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
গ্রামবাসির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর শনিবার পাঁচন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সম্মেলনে পাঁচন্দর ইউপিতে আওয়ামী লীগের উত্তর ও দক্ষিন দুটি সাংগঠনিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ইলামদহী গ্রামের আলহাজ্ব ইসরাইল হোসেনকে ইউপি আওয়ামী লীগের (উত্তর) সভাপতি করা হয়। এদিকে ৩ সেপ্টেম্বর রোববার আলহাজ্ব ইসরাইল হোসেন সভাপতি হবার আনন্দে গ্রামের লোকজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভূরিভোজ আয়োজন করেন। এছাড়াও চিত্তবিনোদনের জন্য হিজড়ার খ্যামটা নাচ ও ডিজে পার্টির নাচ-গান করানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন নবনির্বাচিত সভাপতি ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সহচর ইয়ারজানের পুত্র রজদুল, রুবেল ও ইয়ামিন মদ্যম অবস্থায় আব্দুল হালিমের পুত্রকে মারপিট করে। খবর পেয়ে পুত্রকে উদ্ধারের জন্য প্যাঁক্যাডাঙা হাটের উদ্দেশ্যে রওয়া দেন আব্দুল হালিম, হারুন ও খায়রুল। কিন্ত্ত রাস্তার মাঝ পথে তাদের গতিরোধ ইয়ারজান এবং তার পুত্র রজদুল, রুবেল ও ইয়ামিন। এসময় তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আব্দুল হালিম, খায়রুল ও হারুনকে গুরুতরভাবে জখম করেছে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাদের বিধস্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। তারা এখানো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উপজেলা সরকারি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তাদের মাথার আঘাত গুরুতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যতিত কিছু বলা যাবে না। এবিষয়ে জানতে চাইলে সভাপতি আলহাজ্ব ইসরাইল হোসেন বলেন, দলীয় লোকজন ও গ্রামের যুবকেরা জেদ ধরেছে খাসি দিয়ে খাওয়া দাওয়া করবে এবং আনন্দ উল্লাস করবে। এজন্য নাচগান সামান্য ভাবে হয়েছে। মারপিটের বিষয়টি অজানা সন্ধ্যার পরে শুনেছি। এবিষয়ে জানতে চাইলে রোজদুল জানান, তারা বেশি বাড়াবাড়ি করেছে, আমরা সভাপতির লোক তাদের উচিৎ শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#








