লক্ষ্মীপুর: আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়াম্যান কবির বিন আনোয়ার বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি না, সেটি তাদের ব্যাপার। এনিয়ে আমরা ভাবছি না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকার পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন ছাড়া আর কোন পদ্ধতি নেই। অতীতের মতো তারা ধ্বংসাত্মক, জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচি পালন করছে। তারা বিদেশী প্রভুর কাছে ধরণা দিচ্ছে। কিন্তু দেশের নাগরিকের কাছে ধরণা দিচ্ছে না। বিদেশী প্রভুরা কোন একটা অরাজকতা-বিশৃঙ্খলা তৈরি করে ক্ষমতায় আনবে বলে ভাবছে তারা। তবে আওয়ামী লীগের কাছে এসব কাজে আসবে না। আমরা নির্বাচনমুখি দল। আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্মার্ট কর্ণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের পুরাতন ক্যাম্পাস এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে (লুবনা কটেজ) এ কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। যেখানে দুটি কম্পিউটার ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়েনি। কোন অপারেটরও দেখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, যাদেরকে আপনারা (বিএনপি) প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বলে আসছেন, আসলে তারা এখনো দল হিসেবে গড়ে উঠেনি। এটা একটা রাজনৈতিক প্লাটফর্মের মতো হয়েছে। আমরা যারা বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি, অ্যান্টি আওয়ামী লীগ ও অ্যান্টি মুক্তিযুদ্ধ প্লাটফর্মে তারা জড়ো হয়েছে। সারা পৃথিবীতে এখন দুটি ব্যবস্থা রয়েছে, এরমধ্যে একটি হচ্ছে যেখানে রাষ্ট্রপতি প্রধান থাকেন, আরেকটি হচ্ছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান থাকেন। এরমধ্যে যিনি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবেন, তারাই সরকারে থাকবেন। তৃতীয় কোন বিকল্প তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিন্তু নেই। সময় এবং সকল বিরোধী দলের দাবির প্রেক্ষিতে একসময় বাংলাদেশে তত্ত্ববধায়ক সরকার ছিল। বিশ্বব্যাপী যে নিয়ম চলছে সেভাবে আমরাও। দেশে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। সেই কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে। এ সময়ে সরকার কোন ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা নুরনবী চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতলব, রাসেল মাহমুদ মান্না, হুমায়ুন কবীর পাটওয়ারী, সৈয়দ সাইফুল হাসান পলাশ, সৈয়দ আহম্মদ পাটওয়ারী ও জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।







