আর এ পঞ্চরস হলো সোডিয়াম, কার্বোনেট, নাইট্রোজেন, সালফার ও ফসফরাস। আর নারী যৌনরস(রজন বা রজো) এ থাকে সোডিয়াম,নাইট্রোজেন ও সালফার।
পুরুষের দেহে নারী-ভাবনা ছাড়া কোন রস বা রতি উৎপাদন হয়না,তাই নারী-ভাবনা মানেই হলো কাম ভাবনা। ভাবনা শোধন হলে হয় দিব্যভাবনা।
যদি কোন পুরুষ,কাম ভাবনা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে বা রাখতে সক্ষম হয় তবে ঐ পুরুষের দেহে কোন রতি উৎপাদন হয় না এবং ধীরে ধীরে জীবনি শক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে।
একটা সময় পুরুষের যৌনতা বলতে কিছু থাকেনা।
নারীদেহে কোন রতি নেই,আছে রজন বা রজো- যাকে বলা হয় মায়ারস।
একজন নারী সাধন বলে তার দেহরসের সংরক্ষন করে মায়া-রসকে প্রেম-রসে রুপান্তরিত করে থাকে, আর তাতেই নারীর সিদ্ধিভাব।
পুরুষের রতির সাধন কেমন হবে তা নির্ভর করে যে,সে কেমন নারী’র সঙ্গ নিচ্ছে তার উপর।
যেরুপ নারীর সহাবস্থান করবে সেরুপ দেহরস উৎপাদন হবে এমন!
যদি কোন সাধক বুঝে থাকেন যে,আপনার জীবনে মোহমত্তা নারী লভিয়েছেন তবে আপনাকে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে তাকে (সঙ্গীনিকে) মহামায়া নারীতে রুপান্তরিত হতে।
এবং আপনি পারবেন-ই।
সাধককে অবশ্যই চিন্তায়ও সচেতনতা আনতে হবে,কারন নারীচিন্তা বা কামচিন্তায়ও রতির উদয় হয়!
যদি কোন নারীকে ভাবতেই হয় তবে একজন সু-নারীকেই ভাবাটাই শ্রেয় হবে বলে আমি মনে করি।
পুরুষের যেমনি নারী বেছে চলতে হয়,ভাবতে হয় তেমনি নারীদেরও উচিৎ সুপুরুষ ভাবনা ভাবা।
এতে নারীদেরও দেহরস পাকা হয় এবং সহজেই নিজেকে মহামায়ায় বনাতে সক্ষম হয়। নারীর হাতে অনেক ক্ষমতা!
নারী তার অন্তরের সুপ্তইচ্ছা দ্বারা পুরুষদের চালনা করতে পারে এবং করেও থাকে।
তাই রতির সাধনে নারীর ভুমিকা পুরোটাই।
আর হ্যাঁ রতি মানে বীর্জ নয়,বীজ বা বীর্জ মইথন থেকে হয় রতি,আর রতির সাথে মইথন করতে করতে মতি,আর মতির সাথে মইথন করতে করতে একজন সাধক তার জ্যোতি দেশে পৌঁছে।
আর এই জ্যোতি হলো যদি হল নূর বা আলো অথবা জ্ঞান। তখন একজন সাধক ঈশ্বরের সাথে সম্পর্ক ঘটে তার মুখে বানি ঈশ্বরের বাক্য বিধান হয়ে যায়, তার চাওয়াই ঈশ্বরের চাওয়া হয়ে যায়।
যাকে বলা হয় #নূরে_এলাহী
-☆”কামতত্ত্ব দেহ সাধনা”☆كاماتفا ديها سادهانا ·
Ariyan Farhad
#StarSender #everyonefollowers #সবাইকে #মানুষ #s #BestOfLuck #StarsEverywhere #Every #everyoneactive #shortsvideos #funnyvideos






