রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ভাংচুরের অভিযোগে এক নারী আদালতে মামলা দায়ের। মামলা সুত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মাহাবুবুর রহমান ধর্মপুর ওয়াকফ এ্যাস্টেট এর মোতওয়াল্লি রশিদুল আলম ডাকুয়াকে বিবাদী করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা অন্য নং ৭/২০১২। উক্ত মামলাটির ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৮ তারিখে বাদিপক্ষে প্রাথমিক রায় হয়। ২০১৬ সালে বাদি ও বিবাদীগণ মোকদ্দমাটি সোলেনামা সুত্রে আপস মিমাংসা করে নিয়ে ১৮ শতাংশ জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করিলে ২০১৭ সালে শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে অন্য ১০২/২০১৭ নং মোকদ্দমা দায়ের করিলে ০৫/২০১৬ নং ডিগ্রিজারি মামলা স্থগিত হয়। পরবর্তীতে অন্য ১০২/২০১৭ নং মোকদ্দমাটি খারিজ হইলে বাদিপক্ষ ডিগ্রি ০৫/২০১৬ নং মোকদ্দমার আদেশ বাস্তবায়নের জন্য আদালতে আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত নিয়মানুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখার রহমান ২০২২ সালের আগস্ট মাসে ১৭ তারিখে কমিশনের মাধ্যমে বাদিকে ১৮ শতাংশ জমি দখল দেয়। মোকদ্দমার ডিগ্রীর আদেশ স্থগিত চেয়ে শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মুকুল বাদি হয়ে গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে একটি সানি মোকদ্দমা দায়ের করেন। বাদি পক্ষ নালিশী জমিতে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার জন্য ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখে গাইবান্ধার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অন্য ৩২৪ নং মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত তা আমলে নেয়। বিরোধ পূর্ণ জমিতে বাদিপক্ষ টিন দিয়ে বাউন্ডারি দিলে গত ৪ ফেব্রুয়ারি চেয়ারম্যান তার লোকজন দিয়ে বাউন্ডারি খুলে ফেলেন। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলামসহ ৭ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ বিজ্ঞ আমলি আদালতে ছালেমা বেওয়া বাদি হয়ে ৩৪/১১৪/৪৪৭/৭৯/৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং সিআর ৭৮/২০২৩। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ প্রদান করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা দিপঙ্কর মামলার তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য যে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে শহীদ মিনার, ইউপি ভবন ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) কোয়াটারের জমি রক্ষার জন্য এলাকাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।








