রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৩৪ জন ভিজিডি কার্ডধারী মহিলা চাউল প্রাপ্ত থেকে বঞ্চিত হযেছে। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ৩৭২৮ জন দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ ইং পর্যন্ত ২ বছরের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য শ্রীপুর ইউনিয়নের ২১২টি দুঃস্থ পরিবারের মহিলা সদস্যদের নাম যাচাই বাছাই অন্তে চূড়ান্ত তালিকা ভুক্ত হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের নির্দেশনা বা পরিপত্র অনুযায়ী ২১২টি কার্ড নির্বাচন সাপেক্ষে সরকার গত ঈদুল উল ফিতরের আগে শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রতি জন ভিজিডি কার্ডধারীর জন্য জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ৩ মাসের একত্রে ৯০ কেজি চাউল হিসাবে ২১২টি কার্ডের জন্য ১৯০৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেন খাদ্য অধিদপ্তর। ২১২ জন কার্ডধারীর মধ্যে ১৭৮ জন কার্ডধারীকে ৯০ কেজি করে চাউল বিতরণ করা হলেও অহেতুক কিছু সমস্যা দেখিয়ে ৩৪ জন কার্ডধারী মহিলাদের কার্ড বা তাদের নামে বরাদ্দকৃত প্রতি জনের ৯০ কেজি করে ৩০৬০ কেজি চাউল ইউনয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মুকুল বিতরণ করেননি। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সব কার্ডধারী মহিলাদের জন্য বরাদ্দকৃত চাউল ইউনিয়নের খাদ্যগুদামে মজুত আছে। কার্ডধারী পরিবারগুলো ঈদের আগে চাউল না পেয়ে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভুক্তভোগী কার্ডধারী বলেন,এ বিষয়ে কিছু জানি না, কেন আমাদেরকে কার্ড/চাউল দেয়া হচ্ছে না? আমরা গরিব মানুষ আমাদের হক আমাদের দিলে আমরা একবেলা খেয়ে থাকতে পারবো। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুমি কায়সারবলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদেরকে চাউল দেয়া হবে। ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মুকুল বলেন, কার্ডগুলি ও তাদের নামে বরাদ্দকৃত চাউল বিতরণের দায়িত্ব মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে। গাইবান্ধা জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস জাহান বলেন, জরুরী ভিত্তিতে কার্ড ও চাউল বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।







