এবার বলি আস্তে আস্তে তার অন্য ছেলেদের প্রতি বেশি কথা বলা শুরু করে সে আমি একটা মেসেজ দিলে সে রিপ্লাই করতো না সিনে করার সময় হতো না তোর তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলত সে ঘুমিয়ে ছিল কাজে ছিল লেখাপড়ায় ছিল ইত্যাদি ইত্যাদি ও জবাব দিত এর ফাঁকে বলে রাখি আমি আমি তার কাছে পিক চাইলে আর দিত না,পিক তো দূরের কথা সে আমার সাথে কথা ও বলতে চাইত না বাস্তব কথা বলি আমি কখনো তার ক্ষতি করার ইচ্ছা ছিল না । আমার বন্ধু সাক্ষী আছে ও ঘটনার আমি তাকে কখনো কোনদিন নোংরা কথা বলি নাই এবং তারে কোন অ্যাডাল্ট বা ১৮ প্লাস কথাবার্তা বলি নাই যা বলছি সবটাই পাবলিক গ্রুপের রাগাইছি সবার সামনেই বলছি পিছনে কোন কথাবার্তা তাকে আমি বলি নাই মানে কোন বাজে বা নোংরা কথা আমি তাকে বলি নাই কোন দিন ও । একদিন আমার আইডিতে / একাউন্টে সমস্যা হয়েছে । অন্য একটা আইডি দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে দরকার ছিল, আমি তখন তার আইডি চাইছিলাম সে আমাকে আইডি দেয় নাই সে বলল যে তার পাসওয়ার্ড জানা নাই নাম্বার জানা নাই ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক অজুহাত আমি কথাটা আবার বন্দুকে বলছিলাম মিমি শাশুড়ি আমাকে বলল ও তোমাকে কখনো আইডি দিবে না আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন আমি ছাড়া আরও ছেলের সাথে কথা বলে নাকি সে এ কথাটা মাত্র ই মিমি শাশুড়িকে আমাকে কিছু স্ক্রিনশট দিচ্ছে যে তাকে কতগুলো ছেলে নক করে, মিমির শাশুড়ী আবার আমাকে পাঠাইছে ওগুলো । ওগুলো দেখার পর আমি বুঝলাম সে আসলে অনেক আগেই বেটার অপশন খুঁজে নিছে । ঐদিন আমাকে আইডি দিত তাহলে তার আইডি নেওয়ার আরেকটা উদ্দেশ্য ছিল ফেসবুক বাজারে আপনি ভালো মানুষ খুব কমই পাবেন এখানে আপনাকে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে আপনার ক্ষতি করার লোকের অভাব নেই বাস্তব কথা বলি আমি তো ফেসবুক অনেক দিন ধরে চালাই বা গল্প লিখি তো আমি অমি আমি জানি এখানে কে কেমন বা কি রকম আচরণ করতে পারে তাই আমি সবকিছু থেকে তাকে সেভ করার জন্য তার আইডি চাইছিলাম বেসিকালি আমি তাকে বলেছিলাম তুমি হাজারো ছেলের সাথে কথা বল আমার কোন সমস্যা নেই কিন্তু আমি চাইনা তোমার কোন ক্ষতি হোক কারণ এই ফেসবুকবাজারে তোমার উপকার করার লোকজন নাই কিন্তু তোমাকে বিছানায় নিয়ে পায়জামা খোলার জন্য শত শত লোক আছে তারপর সে আমাকে তার আইডি দিতে রাজি হয় নাই এদিক সে একটা গ্রুপের মধ্যে অন্য একটা ছেলেকে এড করে এবং সে ছেলের সাথে সকাল বিকাল কথা হয় এবং তাকে পাবলিক গ্রুপের মধ্যে প্রপোজ করে প্রিয়া, আমরা এটাকে মজা হিসাবে নি, বেশ কিছু দিন পরে ওই ছেলের আইডিতে ইন এ রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেয় প্রিয়া সাথে, এদিকে প্রিয়াকে যখন জিজ্ঞেস করছি এ ছেলে কে সে বলে চিনে না জানে না এমনিতেই আমি নেই তো তাই তার সাথে কথাবার্তা বলে আর কি, কয়েকদিন এভাবে চলতে থাকে, আমি তাকে বিয়ের কথা বলি সে আমার গুরাতে থাকে, এদিকে আমি আমার বাড়িতে তার বিষয় বলি আমার আম্মু বলে তাদের কোন আপত্তি নেই এ মেয়েকে বউ হিসাবে মেনে নিতে, আমি তাকে সবটা বললে সে কেমন যেন এড়িয়ে চলে, পরে এসব নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়, হওয়ার সাথে সাথে সে আমায় ব্লক করে দিছে, শুধু আমাকে নয়, আমার বন্ধুদের ও ব্লক করে দিছে একে একে, আমার বন্ধু মিমির শাশুড়ী আমায় বার বার মানা করছে এ মেয়ের থেকে সরে যেতে কারন এ মেয়ে তেমন সুবিধার নয় এবং সে অন্য ছেলের সাথে সম্পর্কে আছে, ওই মেয়ে আমায় ঠকাবে, সে এসেছে আমায় ঠকাতে ইত্যাদি কিন্তু আমি এসবে বিশ্বাস করি নাই কারন আমার বিশ্বাস ছিল সে আমায় ঠকাবে না, কিন্তু আমার বিশ্বাস ভুল প্রমানিত হল এবং আমার বন্ধু মিমির শাশুড়ীর কথা সত্য হল, সে আমায় রেখে অন্য ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, তার নতুন বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলে আমার বন্ধু মিমির শাশুড়ী, তার বয়ফ্রেন্ড বলে মাসে অনেক টাকা ইনকাম করে ইত্যাদি ইত্যাদি সে পরে বুজলাম আমি কেবল তার কাছে সময়ের পুতুল ছিলাম, সে পুতুল নষ্ট হয়ে গেছে ওমনি ডাষ্টবিনে পেলে দিছে আমি ও তাই, আমি তার কাছে কেউ ছিলাম না কারন আমার না আছে টাকা না আছে চেহারা না আছে বাড়ি গাড়ি সো আমার সাথে তার মানাবে নাকারো প্রিয় মানুষ হতে গেল টাকা,বাড়ি,গাড়ি,চেহারা,পারিবারিক আভিযাত্য ইত্যাদি লাগে বাট আমি ডি এই অমির এই সবের কিছু নেই কারন সত্যি বলছি আমি এক গরিব ও নিন্মবিত্ত পরিবারের ছেলে তাই কারো প্রিয় মানুু কখন ও হতে পারব ও না,রিলেশন তো দূরের কথা




আমার ঠকিয়ে কি পেলে সে জানি না তবে শেষে এটাই বলব নারী বেটার অপশন পেলে কাউকে চিনে না ও মহূর্তের মধ্যে সম্পর্ক শেষ করতে একবার ভাবে না, সো আমি আর কাউকে বিশ্বাস করি না, কারন ফেসবুকের রিলেশন মানে টাইম পাস এটা উপরের গল্প থেকে বুজা যায় এবং এ ঘটনা আমি লেখক নিজের ঘটনা, সত্যি বলছি আমার খুব ইচ্ছা ছিল রিলেশন করে বিয়ে করার বাট সেটি আর হবে না হয়তোবা কারন আমি কারো যোগ্য নয় সেখানে রিলেশন হবে কেমনে তবে সত্যি বলছি আমি একজন ভালো মানুষের অপেক্ষায় আছি যে আমায় ঠকাবে না