আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈমকে ১৪ এপ্রিল ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। এ ঘটনায় বাফুফে নিজেদের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৭ এপ্রিল ফেডারেশনের জরুরি সভায়।
সেই কমিটিতে শুরুতেই ভাঙন দেখা দিয়েছে। কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন দুই সদস্য। দুজনই বাফুফের সহসভাপতি—আতাউর রহমান ভূঁইয়া ও মহিউদ্দিন আহমেদ। মহিউদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন আজ বুধবার। আতাউর রহমান সরে দাঁড়ান গত ২৪ এপ্রিল।
বাফুফের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন আজ বুধবার বলেন, ‘দুজনই পদত্যাগ করেছেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে। আগামী ২ মে ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে।’
ফিফা দুই বছরের জন্য আবু নাঈমকে নিষিদ্ধ করার পর বাফুফে এই তদন্ত কমিটি করে। আবু নাঈম সোহাগকে বরখাস্ত এবং আজীবন বাফুফেতে নিষিদ্ধ করে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি তদন্তের জন্যই মূলত এই কমিটি।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—বাফুফের সহসভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ, ইমরুল হাসান, বাফুফে সদস্য সত্যজিৎ দাশ, ইলিয়াস হোসেন, জাকির হোসেন চৌধুরী, ইমতিয়াজ হামিদ, হারুনুর রশিদ ও আবদুর রহিমপদত্যাগের বিষয়ে যোগাযোগ করলেও বাফুফের সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। আতাউর রহমান ভূঁইয়ার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
কমিটির সদস্য ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, এখনো কাজ শুরু হয়নি। কাজী নাবিল আহমেদ ঢাকা ফিরলে কমিটির প্রথম সভা হবে।








