বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দেড় যুগ পার হলেও ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স’
নেই কোন ধরনের গবেষণা শুধু ‘রুটিন কাজ’ সেরেই দায়িত্ব পালন করছেন এখানকার কর্মকর্তারা।অথচ পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি দেওয়ার অনুমোদন না থাকলেও ২০৫ জনকে ভর্তি করিয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এর জন্য অনুমোদিত সংবিধিটি ইউজিসি-এর সুপারিশক্রমে মানাবর চ্যান্সেলর কর্তৃক ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের আবেদন পাঠালেও পরপর দুইবার এরকম ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণের কোন নাজির ও নেই বলে জানিয়েছে ইউজিসি।
জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৩ ডিসেম্বর ১০ সিন্ডিকেট সভার নবম সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ইনস্টিটিউট থেকে এমফিল, পিএইচডি ডিগ্রি দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এরপর ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর ২০তম সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১২ সালের ৭ মার্চ ঢাকঢোল পিটিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে এমফিল, পিএইচডিতে ভর্তি করানো হয়।
জানা গেছে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়া ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গবেষণার জন্য ভর্তি হয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষক, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ভর্তি হওয়ায় অনেকের ছুটি শেষ হয়েছে। অনেকেই গবেষণা শেষ করতে পারেননি, গবেষণাপত্র জমা দিতে পারেননি। এমন অনেকেই আছেন যে গবেষণা শেষ করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানে বেতন ভাতা ফেরত দিতে চিঠিও পেয়েছেন।
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিষ্টেম বিভাগের শিক্ষক উমর ফারুক বলেন,আমি ভর্তি হয়েছিলাম।গবেষণা পত্র জমাও দিয়েছি।অতপর আমার ডিগ্রি হয়নি।এটার ব্যাপারে আমি আমার অধিকার চাই।
এদিকে ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এ প্রকল্পের নকশা ও পরামর্শক পরিবর্তন এবং নির্মাণ ব্যয় বাড়িয়ে নতুন করে বরাদ্দের আবেদন জানালে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় পার হলেও কাজগুলো শুরু করতে পারছে না প্রশাসন।গবেষণা ইনিস্টিউটের অবকাঠামোগত কোন উন্নতিও দেখা যাচ্ছেনা।তাই শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ তারা চান এটি তাড়াতাড়ি দৃশ্যমান হোক।
উপাচার্য সার্বিক বিষয়ে বলেন,বর্তমান প্রশাসন এর সাথে সম্পর্ক নেই।এটা নিয়ে আমরা নতুন করে সার্কুলার দিবো।আর আমরা ২০৫ জনের আবেদনের প্রক্ষিতে আবেদনটা করেছিলাম।
অবকাঠমোগত উন্নয়নের ব্যাপারে বলেন, সামনে একটা মিটিং হলে কাজ শুরু হয়ে যাবে।








