আগামী ৩ ডিসেম্বর হচ্ছে না ছাত্রলীগের সম্মেলন। শিগগিরই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
তবে এবিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি আওয়ামী লীগ।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছাত্রলীগের সম্মেলন পেছানো হচ্ছে। তবে ডিসেম্বরেই এই সম্মেলন হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাচ্ছেন ২৯ নভেম্বর। তিনি ফিরবেন ৩ ডিসেম্বর। সে কারণে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বরের বদলে ওই মাসের অন্য কোনোদিন নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের দিনক্ষণ। এরপর থেকেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীরা।
পারিবারিক পরিচয়, সংকটে দলের পাশে থাকা, বিতর্কমুক্ত, শিক্ষার্থীবান্ধব পদপ্রত্যাশীদের বিবেচনায় রাখছেন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। এদিকে এসব শর্ত বিবেচনায় প্রায় দুই ডজন পদপ্রত্যাশী নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে আছেন।
ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের পর ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ মেয়াদ শেষ করার আগেই ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তারা পদত্যাগ করেন। এরপর সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান যথাক্রমে আল নাহিয়ান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য। তিন মাস ভারপ্রাপ্ত থাকার পর ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তাদের ভারমুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদকাল দুই বছর।







