বদিায়ী ভাষণে অর্ন্তর্বতী সরকাররে প্রধান উপদষ্টো ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানয়িছেনে, চব্বশিরে গণ-অভ্যুত্থানরে সময় তরুণরা যে নতুন বাংলাদশেরে স্বপ্ন দখেছেলি, তার কন্দ্রেবন্দিু ছলি প্রাতষ্ঠিানকি সংস্কার। সইে লক্ষ্য বাস্তবায়নে অর্ন্তর্বতী সরকার প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং প্রায় ৬০০টি নর্বিাহী আদশে জারি করছে।ে এর মধ্যে প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়তি হয়ছেে বলে তনিি উল্লখে করনে।
তনিি বলনে, এসব সংস্কাররে মাধ্যমে নাগরকি অধকিার সংহত হয়ছে,ে বচিারব্যবস্থা শক্তশিালী হয়ছেে এবং গুম, খুন ও বচিারবহর্ভিূত হত্যার সংস্কৃতি যাতে আর ফরিে না আসে তার ভত্তিি তরৈি হয়ছে।ে
দায়ত্বি গ্রহণরে সময় দশেরে আইনশৃঙ্খলা পরস্থিতিি অত্যন্ত ভঙ্গুর ছলি উল্লখে করে তনিি বলনে, অনকে থানাই ছলি পুলশিশূন্য, জনগণরে মধ্যে আস্থার বদলে ভয় ও শঙ্কা বরিাজ করছলি। ধাপে ধাপে পরস্থিতিরি পরর্বিতন আনা হয়ছে।ে “আজ পুলশি আর মারণাস্ত্র ব্যবহার করে না, বআেইনভিাবে কাউকে তুলে নয়িে যায় না, ‘বন্দুকযুদ্ধরে’ নামে হত্যা করে না,”—বলনে তনি।ি জনবান্ধব ও জবাবদহিমিূলক বাহনিী গড়ে তুলতে পুলশি কমশিন অধ্যাদশে ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়ছে।ে
বচিার বভিাগরে স্বাধীনতা জোরদারে পৃথক সচবিালয় গঠন, বচিারক নয়িোগে স্বচ্ছ কাঠামো প্রণয়ন এবং দওেয়ানি ও ফৌজদারি আইনে সংস্কার আনার কথাও তুলে ধরনে প্রধান উপদষ্টো। সপোরশেন অব জুডশিয়িারি নশ্চিতি করতে মাজদার হোসনে মামলা-এর রায় বাস্তবায়নরে কথা জানান তনি।ি
এছাড়া গুমকে মানবতার বরিুদ্ধে অপরাধ হসিবেে স্বীকৃতি দয়িে আর্ন্তজাতকি অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন, রায় সরাসরি সম্প্রচাররে সুযোগ, বদিশেি আইনজীবী নয়িোগ ও অর্ন্তর্বতী আপলিরে বধিান যুক্ত করার কথাও উল্লখে করনে। মানবাধকিার সুরক্ষায় জাতীয় মানবাধকিার কমশিন অধ্যাদশে জারি এবং কমশিন পুর্নগঠনরে কথাও জানান তনি।ি
প্রধান উপদষ্টোর ভাষায়, এসব পদক্ষপেরে লক্ষ্য একটাই—বাংলাদশে যনে আর কখনো মানবাধকিারহীন রাষ্ট্রে পরণিত না হয়।







