হুজুর বললেন, ‘একমাত্র মুসলমানরাই জান্নাত যাবে!’
তাহলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কই যাবে?
হুজুর পুলকিত হাসি দিয়ে বললেন, ‘সব শালারা দোজখে যাবে!’
হুজুরকে কইলাম, ‘কোন মুসলমান বেহেস্ত যাবে – শিয়া না সুন্নী?’
হুজুর কহিল বেশক সুন্নী বেহেস্ত যাবে!
আচ্ছা হুজুর সুন্নী তো দুই রকমের, মুকল্লিদ আর গের-মুকল্লিদ?
তাহলে কোন দল বেহেস্তে যাবে?
হুজুর কহিল অবশ্যই ‘মুকল্লিদ’
হুজুরকে কহিলাম মুকল্লিদের তো চার ভাগ। ওদের মধ্যে কে জান্নাতে যাবে?
হুজুর কহিল হানাফি যাবে জান্নাতে, আর কিছু?
না হুজুর মানে হানাফি’র তো দু’টো ভাগ- দেউবন্দী আর বেরেলবী? কৌতুহল ছিল তাই বললাম!
হুজুর বলল – ‘দেউবন্দী যাবে জান্নাতে!’
ধন্যবাদ হুজুর কিন্তু দেউবন্দীর দু’টো ভাগ- হায়াতি আর মমাতি। তো এদের মধ্যে কোন দেওবন্দী তা যদি একটু খুলে বলেন?
এরপর হুজুর আমার দিকে চোখ বড় করে তাকালেন, আমিও ভয়ে আর কোন প্রশ্ন করি নাই।
মনে মনে ভাবছি, আমাদের মুসলিমদের মধ্যে এতো ফ্যারকা কেন?
কপি: তুরান হক








