টেস্ট সিরিজে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। প্রথম টেস্ট ড্রই ছিল শান্ত্বনা। এরপর ওয়ানডেতে এক ম্যাচ জিতলেও সিরিজ খোয়াতে হয়েছে টাইগারদের।
তবে টি-টোয়েন্টি হাতছাড়া হয়নি। প্রথম টি-টোয়েন্টি হারলেও বাকি দুটি জিতে ইতিহাস গড়েছে লিটনের দল।
তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয় ৮ উইকেটে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৩৩ রানের লক্ষ্য ২১ বল বাকি থাকতে ছুঁয়ে ফেলে লিটন কুমার দাসের দল।
এই সংস্করণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়। দেশের বাইরে সব মিলিয়ে পঞ্চম।
ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ১১ রানে ৪ উইকেট নেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা শেখ মাহেদি হাসান।
ছোট লক্ষ্যে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে ১ চার ও ৬ ছক্কায় ৪৭ বলে ৭৩ রান করেন তানজিদ হাসান।
টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে পাওয়ার প্লেতেই পিছিয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। পাঁচ ওভারে তিন উইকেট হারায় তারা। প্রথম ওভারে কুসাল মেন্ডিসকে ফেরান শরিফুল ইসলাম।
পরের ওভারে কুসাল পেরেরাকে আউট করেন মেহেদি। প্রান্ত বদলে পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে দিনেশ চান্দিমালের উইকেট নেন ৩০ বছর বয়সী অফস্পিনার।
অষ্টম ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাকে বোল্ড করেন মাহেদি। তার শেষ ওভারে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩৯ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করা পাথুম নিসাঙ্কা।
পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করে বেশি দূর যেতে পারেননি কামিন্দু মেন্ডিস। ১টি করে চার-ছক্কায় ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন তিনি।
শেষ ওভারে শরিফুলের বলে ঝড় তোলেন দাসুন শানাকা। ২টি করে চার-ছক্কায় নেন ২২ রান। সব মিলিয়ে ২৫ বলে ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে লড়াইয়ে পুঁজি এনে দেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
রান তাড়ায় প্রথম বলেই পারভেজ হোসেনের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে শূন্য রানে আউট হন তিনি। ১৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চম শূন্য, এর তিনটিই প্রথম বলে।
পরের ওভারে রিভিউ নিয়ে নিজের উইকেট বাঁচান লিটন। পরে তানজিদের সঙ্গে গড়েন ৫০ বলে ৭৪ রানের জুটি। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল এই জুটিতেই জিতে যাবে বাংলাদেশ।
নবম ওভারে কামিন্দুর বলে বড় শটের খোঁজে ক্যাচ আউট হন ২৬ বলে ৩২ রান করা লিটন।
পরে ২৭ বলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি পূর্ণ করেন তানজিদ। হৃদয়ের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেট জুটিতে তিনি যোগ করেন ৪৮ বলে ৫৯ রান। ১টি করে চার-ছক্কায় ২৫ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।








