যখন তার আর গতি থাকে না। ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে যার যার জীবন গড়ে নেয়। পুরুষ শেষ বয়সে বউয়ের নামে তখন একটা বাড়ি করে, কিংবা একটা ফ্ল্যাট কিনে।
পোস্ট অফিসের লাখ পঞ্চাশ টাকা তখন বউয়ের নামেই থাকে। ব্যাংক ব্যালেন্স, পেনশনের টাকা তখন আর নমিনি নয়, একদম বউয়ের নামেই জমা রাখে।
অথচ যৌবনে এতে ছিলো বড্ড ভয়। বউ যদি তার টাকা নিয়ে অন্য কারো সঙ্গে চলে যায়! তাই বৃদ্ধকালে পুরুষ আটকায় বউয়ের আঁচলে। যখন তার বাবা মা পৃথিবীতে থাকে না।
বাবা মা জীবিত থাকলে কোন পুরুষই স্ত্রীর মান সম্মানের প্রতি সচেতন থাকে না। তখন তারা চিন্তা করে বৌ কে বেশি ভালোবাসলে সমাজ যদি তাকে নিন্দা করে।পুরুষ আটকায় যখন স্ত্রী ছাড়া তার আর কোন অপশন নেই।
যৌবন থাকতে বউকে বলে আমার কোন কিছুই তোমার নয়। আর বৃদ্ধ বয়সে বলে, আমার সব সম্পদ তোমার। বোকা পুরুষ এটা বুঝে না, যৌবনে যার সাথে গভীর প্রণয় হলো না, বৃদ্ধ বয়সে তাকে আটকিয়ে কি লাভ! বৃদ্ধ পুরুষটির সাথে তার স্ত্রীরও তখন এক পা কবরে।
এতো সম্পদ দিয়ে স্ত্রী তখন কি করবে, যার যৌবণে একটা শখ পূরণ করতে সারারাত কাঁ’দতে হয়েছে।








