কোম্পানির জন্ম মাত্র ২০০৬ সালে এবং বর্তমান মার্কেট ভ্যালু বাংলাদেশের রিজার্ভের সমান প্রায়।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে তার কোন প্রতিযোগী নেই।
জি, বলছি DJI OSMo-র কথা।
সারা দুনিয়ার ড্রোনের এক চেটিয়া বাজার যার দখলে। সে কোন দুর্নীতি করে বাজার দখল করে নাই। বরং তার পণ্য এত ভালো যে কেউ দাড়াতে পারছে না আশে পাশে।
যেই সময় অন্যরা গবেষণা করে তার কাছাকাছি পণ্য আবিষ্কার করে সেই সময়ে তার পরের প্রজন্মের প্রযুক্তি dji হাতের মুঠোয় নিয়ে আসে। সেই পর্যায়ে বাকিরা যেতে যেতে dji পরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
সব মিলিয়ে আমেরিকা বিরক্ত হয়ে মাস খানেক আগে dji পণ্যের উপর এক প্রকার বয়কট আরোপ করে। এভাবে মার্কিন পণ্য কিনতে অনেক প্রতিষ্ঠানকে বাধ্য করছে। কিন্তু সমস্যা একটাই দামে বেশি মানে কম। সেজন্য ক্রেতারা শেলফে যা ছিল দোকানের তাই বেশি বেশি কিনে জমিয়ে রাখছে।
বলা হয় ড্রোন শিল্পে dji এমন বিদ্যা জানে যা আর কারো কাছে নেই। এই কোম্পানির ফাউন্ডার একজন অদ্ভুত ব্যাক্তি যে তার পণ্যে গুণগত মান নিয়ে পাগল। আগে সে ইঞ্জিনিয়ার পরে ব্যবসায়ী। মিডিয়া এটেনশন নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই সারাদিন তার কর্মে নিবিষ্ট সেরার সেরা কিছু তৈরি করার ব্যপারে।
সব মিলিয়ে সে এমন একজন ব্যাক্তি যার সাথে ড্রোন বিদ্যায় পারদর্শিতায় কেউ নেই কাছাকাছি। এজন্য আমরা ভালো মানের ড্রোন পাচ্ছি আর চীন পাচ্ছে বিশ্ব জোড়া সম্মান।
— মোহাইমিন পাটোয়ারী








